আনোয়ারার বটতলীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দখলকৃত জমিতে মাটি ভরাট করছে। | ছবি: সংগ্রহীত
আনোয়ারার বটতলী ইউনিয়নের রুস্তমহাট এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে একটি বিরোধপূর্ণ জমিতে জোরপূর্বক বালু ভরাট ও দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। গত শনিবার দুপুরে উপজেলার বটতলী রুস্তমহাট বাজারের পশ্চিমে বটতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে থানা পুলিশ অভিযুক্ত দেলোয়ারকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।তবে অভিযুক্ত ভূল স্বীকার করলে মুচলেকা নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বটতলী গ্রামের ৫১ শতক জমি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা অ্যাডভোকেট সালাউদ্দীন আহমদ চৌধুরীর সাথে দেলোয়ার হোসেনের বিরোধ চলছে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা হলে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। শনিবার দেলোয়ার হোসেন আইন অমান্য করে জোরপূর্বক বালু ভরাটের চেষ্টা করলে সালাউদ্দীন আহমদ চৌধুরী বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেন এবং একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ দেলোয়ার হোসেনকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় হারুনুর রশিদ, সাহাব উদ্দিন ও রফিকুল ইসলামের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে দেলোয়ার হোসেনকে ছেড়ে দেন। এই বিষয়ে বাদী অ্যাডভোকেট সালাউদ্দীন আহমদ চৌধুরী বলেন, এই জমি আমার পূর্বপুরুষের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া, দেলোয়ার হোসেন আমার এক ভাই এই দাগ নাম্বার দিয়ে অন্য দাগে দখল বুঝিয়ে দিয়ে বিবাদীর কাছে কিছু জায়গা বিক্রি করেছিলেন। যেখানে দখল দেওয়া হয়েছে। দেলোয়ার সেখানেই দখলে আছেন। কিন্তু অনেক বছর পর এসে তিনি আবার এই বিরোধপূর্ণ দাগে দখলের চেষ্টা চালালে আমরা আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করি। কিন্ত তিনি আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা করে আসছেন। এবারও একইভাবে কাজ করলেন। বিবাদী দেলোয়ার হোসেন আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমার উকিলের পরামর্শে মাটি ভরাট করেছি। যা আমার ভুল হয়েছে। এই বিষয়ে আমি পুলিশের কাছে ভুল স্বীকার করে মুচলেকা দিয়েছি। আনোয়ারা থানার এসআই ইমাম হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমরা দেলোয়ারকে থানায় নিয়ে আসি, পরে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির জিম্মায় এই ধরণের কাজ আর করবেন না মর্মে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।