প্রকাশ :: ... | ... | ...

পারকি পর্যটন কর্পোরেশনে মারামারি, থানায় অভিযোগ


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: সংগ্রহীত

আনোয়ারার পারকি সমুদ্র সৈকতে নির্মাণাধীন পর্যটন কর্পোরেশনের দু’পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার দুপুরে পারকি পর্যটন কর্পোরেশন এলাকায় পর্যটন কর্পোরেশনের সিকিউরিটি ইনর্চাজ ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাজ কর্পোরেশনের প্রতিনিধির সঙ্গে এ মারামারি ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় সোমবার দুপুরে পর্যটন কর্পোরেশনের সিকিউরিটি ইনর্চাজ মো. আবদুল হক বাদী হয়ে মো. এমরান (২৮), মো. নাঈম (২৬), মো. জাবেদ (২৩)সহ আরও ১০জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ করেন। অপরদিকে ঘটনারদিন রোববার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাজ কর্পোরেশনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ জাবেদ পর্যটন কর্পোরেশনের সিকিউরিটি ইনর্চাজ মো. আবদুল হককে অভিযুক্ত করে একটি অভিযোগ করেন। সোমবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে, স্থানীয় ও দুইপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রায়পুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ও উপজেলা বিএনপি নেতা মো. আবদুল হক পর্যটন কর্পোরেশনে সিকিউরিটি ইনচার্জ হিসেবে কাজ করেন। অপর দিকে বারশত ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ জাবেদ পর্যটন কর্পোরেশনের নির্মাণ কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাজ কর্পোরেশনের প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। কয়েকদিন ধরে তাদের মধ্যে নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। রোববার দুপুরে আবদুল হক ও জাবেদ কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয়ই গুরুতর আহত হয়েছে বলে দাবী করেন। পর্যটন কর্পোরেশনের সিকিউরিটি ইনর্চাজ মো. আবদুল হক বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাজ কর্পোরেশনের প্রতিনিধি পর্যটন এরিয়া থেকে মূল্যবান মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যেতে চাইলে আমি বাঁধা দিই। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর করে। রাজ কর্পোরেশনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ জাবেদ বলেন, আমার নির্মাণ কাজের একটি তেরপাল খুঁজে না পেলে বিষয়টি সিকিউরিটি ইনচার্জকে জানায়। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর করেন। আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘পারকি পর্যটন কর্পোরেশন কর্ণফুলী থানার অধিণে। তারপরও তাদের অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’