| ছবি: মো: ইমরান হোসাইন
আর একদিনপরই পবিত্র ঈদুল আযহা। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে ছুটছেন বাড়ির পানে। বাড়ি ফেরা মানুষের ভোগান্তি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে রাত ও সকালের টানা বৃষ্টি। তারপরও বৃষ্টি, ও যানজট কোনো কিছুই আটকাতে পারছে না ঘরমুখো মানুষকে। এই ভোগান্তির সঙ্গে যোগ হয়েছে বাড়তি ভাড়া। এক লাফে ভাড়া তিন গুন বাড়ার অভিযোগ ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের। দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রবেশ মূখ কর্ণফুলীর মইজ্জ্যেরটেক অটোরিকশা সিএনজির বাড়তি ভাড়ার নৈরাজ্যের শিকার হচ্ছেন আনোয়ারা, কর্ণফুলীর মইজ্জ্যেরটেক, বাঁশখালী, পেকুয়া, চকরিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার ঈদযাত্রায় ঘরমুখী যাত্রীরা। বুধবার (২৭ জুন) দুপুরে কর্ণফুলী টানেল চত্বর, আনোয়ারা, কর্ণফুলীর মইজ্জ্যেরটেক, বাঁশখালী, পেকুয়া, চকরিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার ঈদযাত্রায় ঘরমুখী যাত্রীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। সিএনজি অটোরিকশার চালকরা চাতরী থেকে মইজ্জ্যেরটেকের ২০ টাকার ভাড়া নিচ্ছেন ৪০ টাকা, নতুন ব্রিজ ৫০ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা, বাঁশখালীর ৬০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা, পেকুয়া ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়ার অভিযোগ তুললেন যাত্রীরা। যাত্রীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বুধবার সকাল থেকে ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকেই অতিরিক্ত টাকা দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, গ্রামে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন করতে ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে করে রওনা দিচ্ছেন অনেকে। পেকুয়াগামী যাত্রী সাবরিয়া খানম বলেন, সাধারণ সময়ে পেকুয়ায় ৮০ টাকার ভাড়া আজকে ২৮০ টাকা চাওয়া হচ্ছে সিএনজিতে। প্রয়োজন থাকায় বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়া দিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। সিএনজি অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ মফিজুর রহমান বলেন, বৃষ্টি আর ঈদ মিলিয়ে সড়কে যাত্রীর চাপ বেশি। এরমধ্যে মইজ্জ্যেরটেকে পশুর হাটের দীর্ঘ যানজটের আটকে থাকতে হচ্ছে চালকসহ যাত্রীদের। তবে আজ ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের কাছ থেকে বখশিস নেওয়া হচ্ছে। আনোয়ারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপক ত্রিপুরা বলেন, 'ঈদযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে। কোথাও যানজট তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানির অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সড়কে ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ন্ত্রণেও অভিযান চলবে।