প্রকাশ :: ... | ... | ...

সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের প্রত্যাশা ভোটারদের— গুয়াপঞ্চকে লড়বেন তরুণ সমাজসেবক আলমগীর


সংযুক্ত ছবি

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের আনোয়ারার বৈরাগ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার গ্রামীণ রাজনীতিতে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। হাঁট-বাজার, চা-দোকান থেকে শুরু করে মোড়ের আড্ডায় এখন একটাই আলোচনা—কে হচ্ছেন আগামী দিনের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) তবে এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের প্রত্যাশায় এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। দলীয় প্রতীক বা ক্ষমতার প্রভাবের চেয়ে ‘ক্লিন ইমেজ’ বা পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির প্রার্থীকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এ ধারাবাহিকতায় বৈরাগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সর্বস্তরের আপামর জনগণ ও তরুণ সমাজের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসেছেন তরুণ সমাজসেবক শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ আলমগীর। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং জনগণের বিপদে-আপদে পাশে থাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সদস্য (মেম্বার) পদে তাকে দেখতে চান এলাকাবাসী। তিনি চট্টগ্রাম পশ্চিম পটিয়া, আনোয়ারা ও বাঁশখালী (পিএবি) সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নর নির্বাচিত সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বৈরাগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী মোহাম্মদ আলমগীর জানান, ‘এলাকাবাসীর সমর্থন পেলে তিনি গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন, যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করবেন। একই সঙ্গে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।’ স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিগত দিনে এলাকার উন্নয়ন, বিচার-সালিশ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে যাদের সততা ও স্বচ্ছতা ছিল, তাদেরকেই চেয়ারম্যান ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান তারা। দখলদারিত্ব, দুর্নীতি, মাদক কিংবা স্বজনপ্রীতির সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ রয়েছে। ফলে এবার কোনো বিতর্কিত মুখকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে মেনে নিতে রাজি নন তারা। ইউনিয়নের একাধিক প্রবীণ ভোটার জানান, আমরা এমন একজন নেতৃত্ব চাই, যিনি বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকবেন। যার দরজা সাধারণ মানুষের জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে এবং যিনি জনগণের আমানত রক্ষা করতে পারবেন। দুর্নীতিমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ ছাড়া এবার কাউকে ভোট দেব না। তরুণ ভোটারদের মতে, আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন গঠনে শিক্ষিত, সৎ ও তরুণ নেতৃত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। ইউনিয়ন পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত ও সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির প্রার্থীর কোনো বিকল্প নেই। এদিকে সাধারণ মানুষের এমন মনোভাব টের পেয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যেও হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। ভোটারদের আস্থায় আসতে প্রার্থীরা নিজেদের অতীতে করা সামাজিক কাজ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। সব মিলিয়ে, আসন্ন নির্বাচনে কোন দল কাকে মনোনয়ন দিচ্ছে—তার চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে প্রার্থীর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি। পরিচ্ছন্ন ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেই ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে একাট্টা হয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা।