| ছবি: সংগ্রহীত
কর্ণফুলীতে সংঘটিত মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের পরিদর্শনে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে যান কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোছাম্মৎ জেবুন্নেসা। গতকাল সংঘটিত এ দুর্ঘটনায় চারজন নিহত এবং প্রায় পনেরজন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। বর্তমানে আহতরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতদের খোঁজখবর নেওয়ার সময় কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোছাম্মৎ জেবুন্নেসার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার নিশাত তাসনিম এবং স্যানিটারি ইন্সপেক্টর টিটু শীল। আজ ২৯মে বিকেলে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোছাম্মৎ জেবুন্নেসা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসা অগ্রগতির বিষয়ে অবগত হন। তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান। চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলেন, অতিরিক্ত গতি, অসচেতন চালনা, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং অসতর্ক রাস্তা পারাপারের কারণেই অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক, যাত্রী ও পথচারী—সকলকেই আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে। এ সময় আরও বলা হয়, একটি দুর্ঘটনা শুধু একটি প্রাণই কেড়ে নেয় না, বরং একটি পরিবারকে দীর্ঘমেয়াদি শোক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ এবং সচেতনতার বিকল্প নেই। “নিরাপদ সড়ক আমাদের সবার অধিকার ও প্রত্যাশা। সম্মিলিত সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণই পারে সড়কে দুর্ঘটনা ও অকাল প্রাণহানি কমিয়ে আনতে।”