প্রকাশ :: ... | ... | ...

পাহাড়ে ৬ মাসে দেড় হাজার চাঁদাবাজি, ১৬ খুন


সংযুক্ত ছবি

পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩ জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে গত ৬ মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে বলে দাবি করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। সংগঠনটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই তিন জেলায় ১ হাজার ৫২০টি চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে অন্তত ১৬ খুন ও ৪৭ জন অপহৃত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে খাগড়াছড়িতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পাহাড়ের মানবাধিকার পরিস্থিতির এই চিত্র তুলে ধরে সংগঠনটি। খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পিসিএনপি জেলা শাখার আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুল মজিদ। তিনি জানান, গত ৬ মাসে পাহাড়ে প্রায় ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৪৭টি অপহরণ ও ১৬টি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, কৃষক, চালক ও শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। এছাড়া আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে অন্তত ৩৪টি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। নারী সংক্রান্ত প্রতারণা, নির্যাতন ও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ১৪টি। সংবাদ সম্মেলনে নেতারা অভিযোগ করেন, কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; বরং পাহাড়ে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরাতে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ, ভূমি বিরোধের ন্যায়সংগত নিষ্পত্তি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তারা এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের জেলা সদস্য শাহাদাৎ হোসেন, এরশাদ হোসেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলার সদস্য রবিউল হোসেন, যুব পরিষদের জেলা সভাপতি জালাল আহমেদ, ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে একই দিনে পার্বত্য জেলার অন্য দুইটি জেলা রাঙামাটি ও বান্দরবানে পৃথক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য উল্লেখ করেন।