চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ—সবখানেই ছাত্র রাজনীতির এক অভূতপূর্ব উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন তকি। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি দীর্ঘ ১৭ বছর মামলা-হামলা উপেক্ষা করে ছাত্র রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। শত বাধা-বিপত্তির পরও রাজনীতির মাঠ থেকে তাঁকে চুল পরিমাণও সরানো যায়নি। তাঁর রয়েছে বিশাল কর্মীবাহিনী। চট্টগ্রামের প্রতিটি ইউনিটে তিনি হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো কর্মীবাহিনী গড়ে তুলেছেন। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন। প্রচলিত রাজনীতির ধারা থেকে বেরিয়ে গিয়ে কর্মীদের সব সমস্যা সমাধান করা, তাদের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতা করাই তাঁর রাজনীতির মূল লক্ষ্য। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের কাছে তকি এক মূর্তিমান আতঙ্ক। তাঁর রাজনীতিতে কখনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজির প্রশ্রয় নেই। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং মানবতাকে লালন করাই তাঁর চরিত্র। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সরেজমিন পরিদর্শনে রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও সামাজিক বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের দাবি—এ সময়ে তকির মতো ছাত্র রাজনীতিবিদ খুব কমই আছে। তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভুল ধরার সুযোগ নেই বললেই চলে। ১৫ আগস্টের পর অনেকের মধ্যে পরিবর্তন দেখা গেলেও তকির মধ্যে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। তাঁর সুযোগ ছিল কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ার, কিন্তু তিনি সেই পথে হাঁটেননি। তাঁর রাজনীতি মানবতার জন্য। তিনি যেমন কর্মীবান্ধব, তেমনি সাধারণ মানুষের যেকোনো সমস্যায় নিজেকে বিলিয়ে দেন। জনপ্রতিনিধি না হয়েও অসহায় মানুষ যখন তাঁর কাছে সাহায্যের জন্য আসেন, তখন তিনি যেকোনোভাবে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। এখন পর্যন্ত কাউকে তিনি ফিরিয়ে দেননি। তাঁর চলাফেরায় রয়েছে আলাদা এক সৌন্দর্য। তিনি জানেন বড়দের কীভাবে সম্মান করতে হয় এবং ছোটদের কীভাবে স্নেহ করতে হয়। চট্টগ্রামের ছাত্র রাজনীতিতে তিনি একজন সফল ও তুমুল জনপ্রিয় নেতা। তাঁর জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে পারিবারিক শিক্ষা। তিনি একটি সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছেন, যেখানে মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার শিক্ষা দেওয়া হয়। তাঁর কাছে রাজনীতি মানে মানবকল্যাণ। চট্টগ্রাম উত্তর জেলার প্রতিটি উপজেলায় তাঁর শত শত কর্মী রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম নগর ও দক্ষিণেও তাঁর শক্ত অবস্থান রয়েছে। তাঁর সঙ্গে রাজনীতি করা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি কখনো নিজেকে নেতা হিসেবে জাহির করেন না; বরং শেখান কীভাবে মানুষের উপকার করা যায়। তাঁর মতে, সৎ পথে থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করাই রাজনীতি। তাঁর ইউনিটের কোনো ছাত্রনেতা সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত নন এবং বর্তমানেও নেই। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করেন। শিক্ষাঙ্গনে আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের খবর পেলেই তিনি সহযোগিতা করেন। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার ওপর তিনি জোর দেন। তাঁর কথা—“আগে পড়ালেখা, পরে রাজনীতি।” এমন একজন ব্যক্তির রাজনৈতিক দর্শন পাওয়া সত্যিই সৌভাগ্যের বিষয়। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি বলেন, “আপনি সাংবাদিক হিসেবে স্থানীয়। আপনার কাছে লুকানোর কিছু নেই, এমনকি বাড়িয়ে বলারও কিছু নেই। সরেজমিনে আপনি সবই দেখতে পাচ্ছেন। আমার পারিবারিক শিক্ষা এবং আমার নেতা মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের নির্দেশ—মানবতার কল্যাণে কাজ করা। আমি মনে করি, রাজনীতি মানে নিজেকে অন্যের কল্যাণে উৎসর্গ করা। আমার সঙ্গে রাজনীতি করা সবাইকে আমি বলি—তুমি যদি নিজেকে মানুষের কল্যাণে বিলিয়ে দিতে পারো, তবে তোমার জীবন সার্থক হবে। আমাদের চাওয়া-পাওয়ার কোনো হিসাব নেই; আমাদের একটাই লক্ষ্য—মানুষের কল্যাণ করা।”