চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে দখলের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে পাহাড়ি ছরা। দীর্ঘ সময় খনন কাজ না হওয়ায় প্রসত্ব ছরা সরু নালায় পরিনত হয়েছে। এ অবস্থায় নিস্কাশন ব্যবস্থা ও ঝার্ণ ঝিরির জমা পানির চরম সংকটে জনজীবনে দুর্দশা নেমে এসেছে। জনসার্থে ছরার খনন জরুরী হলেও উদ্যোগ গ্রহনে চরম উদাসীনতা।
উপজেলার বাড়বকুন্ড ইউনিয়নের চারের কান্দি ও আম্বিয়ারঢালা পাহাড়ি ছরা দখল দুষনে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে খনন না হওয়ায় সংকুচিত হয়ে ছরা দুটির অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলেছে। এ পরিস্থিতিতে ছরার ভরাট অংশে ঘেরা-বেড়া এক চর্তুথাংশ দখলে নেয়ায় নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতায় জলাবদ্ধতার আশংকা দেখা দিয়েছে। এছাড়া শুস্ক মৌসুমে পানি অভাবে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে শত শত একর জমি অনাবাদী পড়ে থাকে বলে জানান স্থানীয়রা।
চারের কান্দির বাসিন্দারা বলেন,‘ সুপেয় পানির যোগান ও জলাবদ্ধতা দুরীকরনে পাহাড়ি ছারার গুরুত্ব অপরিসীম। শীত মৌসুমে ঝর্ণা ঝিরির পানিতে স্ববজী ও বুরোর আবাদ হয়। খননের অভাবে ছরা দুটি সংকুচিত হয়ে নালায় পরিনত হয়েছে। পরবর্তীতে ঘেরা-বেড়ায় দিয়ে ছরা দুটি দখলে মেতেছে শিল্প প্রতিষ্ঠান। আম্বিয়ারা ঢালা ছরাটি কেএসআরএম কোম্পানী দখলে নিয়ে বিলিন করে ফেলেছে বলে জানান তারা।
প্রতি বছর রাজস্ব উদবৃত্ত অর্থে খাল খনন ব্যায় দেখায় ইউনিয়ন পরিষদ। অথচ প্রকল্পের বিপরীতে খনন সংস্কার কাজ দেখানো পরও পানি নিস্কাশনে প্রতিবদ্ধকতা দুর হয় না। প্রভাবশালী শিল্প প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে খনন উদ্যোগে এড়িয়ে চলেন স্থানীয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বলেন,‘ খাল ও ছরা উদ্ধারে নির্দেশনা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি। মাঠ জরিপের মাধমে বিলুপ্ত ভরাট খাল ও ছলা খনের উদ্যোগ গ্রহন করা হবে বলে জানান তিনি।