| ছবি: মাঈনুদ্দিন খালেদ
মানবপাচারকারীর চক্রের ফাঁদে পড়ে অবৈধ পথে স্বপ্নের মালয়শিয়া যাত্রাপথে ফিশিং ট্রলার থেকে গভীর সাগরে ডুবে কচ্ছপিয়ার ১ যুবক সহ ৪ জন নিখোঁজ হয়েছে ৩ দিন আগে। বাকী ৩ জন রোহিঙ্গা। কচ্ছপিয়ার এ যুবকের নাম মো: শাহেদ (২৩)। তার পিতা পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি থানা মোড় এলাকার ভাতের হোটেল ব্যবসায়ী মো:আজিজ সওদারের বড় ছেলে। সে রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের দক্ষিন তুলাতলিতে বসবাস করে । তিনি তার সন্তানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ব্যবসায়ী আজিজ আরো জানান,তার ছেলে গত মঙ্গলবার নিখোঁজ হন। ফিশিং বোটে সে মালয়েশিয়া যাচ্ছিল অগাধ টাকার মালিক বনতে। মাঝপথে অসুস্থ হয়ে বারবার মা-বাবার কাছে ফেরৎ আসতে কান্না করতো। এরই মধ্যে পেছন থেকে মিয়ানমারের নৌবাহিনীর একটি বোট তার ছেলের সেই ফিশিং বোটকে ধাওয়া করছিল। এমতাবস্খায় মো:শাহেদ কখন যে সাগরে পড়ে হারিয়ে যায় তা কেউ টেরও পায় নি। এ সব বিষয় আজিজ সওদাগরকে নিশ্চিত করেন বোটে থাকা তার বন্ধু ইউনিয়নেন ঘিলাতলী জুবাইর ও গর্জনিয়ার জাহেদ। তারা শুক্রবার দুপুরের পর মো: শাহেদ সহ ৪ মালয়েশিয়াগামির মৃত্যুর খবর তাকে পৌঁছান মালয়েশিয়া পৌঁছার পর । ছেলের মৃত্যর খবর শোনার পর মো: শাহেদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। মা মুর্ছা যাচ্ছিলো বারবার। বন্ধুরা আজিজের কাছে আরো বলেন,এ ফিশিং বোটে ২৮০ জান যাত্রি ছিল। আর বোটটি মালয়েশিয়া পৌঁছে শুক্রবার ভোর সকালে। মো:শাহেদ গত ২ মাস আগে কাউকে না বলে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে টেকনাফ হয়ে মালয়েশিয়া পাড়ি জমাচ্ছিল সাগরের ফিশিং ট্রলারে করে। এ বিষয়ে রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মো:মনিরুল ইসলাম ভুইঁয়া বলেন,যেহেতু সাগরে ডুবে মারা গেছে তাই তিনি বিস্তারিত জানে না। তবে শুনেছেন। তিনি আরো বলেন,অবৈধ পথে শুধু মালয়েশিয়া নয়-যে কোন দেশে অবৈধ পথে যাওয়ার বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে। এটি করতে মানবপচারকারী চক্র জাল বুনেছে দেশের পুর্বসীমান্তে। তিনি এ ধরণের কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকতে সকলকে অনুরুধ জানান।