প্রকাশ :: ... | ... | ...

চাঁদা না পেয়ে- গর্জনিয়ায় ড্রামে শ্বাসরুদ্ধ করে দু'সহোদর হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজার আসামি বদাইয়্যা গ্রেপ্তার


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: মাঈনুদ্দিন খালেদ

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়ার নৃশংসভাবে মোঃ হাসান(১১) ও মোঃ হোসাইন (৮) সহোদর হত্যাকান্ডে মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবদুল মজিদ ওরফে তক্ষক বদাইয়া কে গ্রেপ্তার করেছে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আবদুল মজিদ ওরফে তক্ষক বদাইয়া একই এলাকার মৃত হাজী জাকের আহমেদের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা এই আসামির অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার দিকনির্দেশনায় গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশ নেন এএসআই মোঃ ইউনুছসহ সঙ্গীয় ফোর্স। অভিযানের একপর্যায়ে বড়বিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। উল্লেখ্য বিগত ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারী এ দু'শিশুকে অপহরণ সাড়ে ৪ লাখ টাকা চাঁদাদাবী করে অপহরণকারী চক্র। না দেয়া শিশু ২ জনকে পরদিন ভোররাতে প্লাটিকের ড্রামে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে একদল অপহরণকারী। পরে একটি ছড়ার কুলে ফেলে রাখে। এ ঘটনায় আবদুল মজিদ ওরফে তক্ষক বদাইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। এছাড়া আরো ১১ জন আসামী পলাতল আছে। তন্মধ্যে ৫ জনকে ফাঁসির আদেশ আর ৪ জনের যাবজ্জীবন সাজার আদেশ দেয়া হয়। এ আদেশের ৮ নম্বর আসামী অবশেষে পুলিশ গ্রেপ্তার করে । গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনিসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।