তুমব্রু রাইট ক্যাম্প,সেটি মিয়ানমার অংশে। এখান থেকেই গুলি ছুটে অপর বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে। | ছবি: মাঈনুদ্দিন খালেদ
বুধবার (৬ মে) ২০২৬ খ্রী: জলপাইতলী ঘটনার দু'দিনের মাথায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ৪৪ নম্বর পিলার সংলগ্ন তুমব্রু পয়েন্টে মিয়ানমার অংশ থেকে ভারী অস্ত্রের গুলির বিকট শব্দে ফের কেঁপে উঠল তুমব্রু বাজার সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম। বুধবার (৬ মে) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ৩ দফায় এ সব গুলির আওতায় আসে এখানে। বিষয়টি নিশ্চিত করে তুমব্রু বাজার ব্যাবসায়ী আবদুর রহমান,সরওয়ার কামাল,আলী আকবর ও সিএনজি সমিতির নেতা নুরুল আবসার। তারা বলেন,গত সোমবারের পর দ্বিতীয় দফায় এ ধরণের গুলির শব্দ তারা শুনেন। তাদের ধারণা,ওপারে আরসা ও আরএসওকে লক্ষ্য করে এ গুলি ছুঁডেন বিদ্রোহী আরকান আর্মি। এসব গুলি ছোঁড়া হয় বাংলাদেশ অংশের তুমব্রু বাজার ঘেষা সীমানার ওপারে মিয়ানমার অংশের তুমব্রু রাইট ক্যাম্প থেকে। যা ৩৪ বিজিবি অধিন তুমব্রু বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার অংশ বিশেষ,তুসব্রু বাজারটি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড অবস্খিত। তারা আরো বলেন,এর দু'দিন আগে পার্শ্ববর্তী ঘুমধুম বিওপি এলাকায় কয়েশ রাউন্ড ব্রাশ ফায়ার করে অপর একদল বিদ্রোহী আরকান আর্মি। ঘুমধুম সিএনজি সমিতির নেতা নুরুল আবসার বলেন,দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ৩ দফায় ১৬/১৭ রাউন্ড ভারী অস্ত্রের গোলার শব্দে তুমব্রু বাজার সহ পুরো এলাকা কেঁপে উঠে। যেহেতু সীমান্তে কাঁটাতার ফাঁকা রয়েছে সেহেতু রাতের অন্ধকারে বিদ্রোহী আরকান আর্মি কী করে বসে বুঝা যায় না তাই অনেকে আতংকিতও হয়। এ বিষয় তুমব্রু বিওপি ক্যাম্প কমান্ডারের সাথে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয় নি।