| ছবি: সংগ্রহীত
এবার নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবি ৫ বস্তা ইয়াবা টেবলেট জব্দ করেছে। শনিবার( ১৫ আগষ্ট) ভোরে ১১ বিজিবির একটি টহলদল কর্তৃক মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে এ সব ইয়াবার বস্তা জব্দ করে। যার মধ্যে ২০ (বিশ) কাট অর্থাৎ ২ লক্ষ ১ শত (দুই লক্ষ একশত) পিস বার্মিজ ইয়াবা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ১১ বিজিবি কতৃপক্ষ। বিজিবি সুত্র জানান ১৫ আগস্ট গভীর রাতে ১১ বিজিবি অধিনায়ক গোপনে খবর পেয়ে একদল জোয়ান পাঠান ঘটনাস্থলে। এটি ১১ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা সীমান্ত পিলার ৪৮/৪ এস এবং শুণ্যলাইন থেকে আনুমানিক ৮ কিলোমিটার পশ্চিম দিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দোছড়ির তন্দুলের মুখ এলাকায়। যেটি ককসবাজার জেলার রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত। বিজিবি দলটি,চোরাকারবারীদের অবস্থান চিহ্নিত করে ইয়াবা বহন করা কারবারীকে ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা তাদের নিকটে থাকা বস্তা গুলো ফেলে রেখে জঙ্গলের ভিতরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি টহলদল কর্তৃক বস্তা হতে পরিত্যক্ত অবস্থায় এই ২০ কাট ২,০০,১০০ (দুই লক্ষ একশত) পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেখানে ৫ বস্তা ইয়াবা ছিল। ৫ বস্তায় ২০ কাট ইয়াবা নেয়া হয়। প্রতি বস্তায় ৪ কাট করে ইয়াবা ছিল। এ বিষয়ে ১১ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ ফয়জুল কবির বলেন,ইয়াবা গুলো আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবসবথা নেয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন,দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ,অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে এবং সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারী বজায় রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, বতর্মান অধিনায়ক যোগদান করার পর থেকে বেশ কয়েকটি। সফল অভিযান পরিচালনা করে রেকর্ড পরিমাণ ইয়াবার চালান আটক। করা হয় নাইক্ষ্যংছড়ি- মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে।