| ছবি: সংগ্রহীত
মাদকে সংশ্লিষ্টতা পেলে ছাড় নেই। যারা এ পথে আছো ছেড়ে তাও-ফিরে এসো সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবনে। নচেৎ পুলিশ তোমাদেরকে খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করবে। রামু উপজেলার সীমান্তবর্তী দুর্গম গর্জনিয়া ইউনিয়নে মাদকবিরোধী র্যালি ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন রামু থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হক। বুধবার (১৯ আগস্ট) আয়োজিত অনুষ্ঠানে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক। এসআই জুয়েল চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলিম, রামু উপজেলা জামায়াতের নেতা ফইজুল্লাহ মোহাম্মদ হাসন, কচ্ছপিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন টুক্কু, গর্জনিয়া বিএনপি নেতা মুহিবুল্লাহ চৌধুরী জিল্লু এবং সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ মুহিবুল্লাহ, এসআই শাহরিয়ার কামাল, এএসআই ইউনুস, এএসআই টুটুল, যুবদল সভাপতি দিদারুল আলম, ছাত্রনেতা আজিজুল হক আজিজ, জিয়া উদ্দিন জিয়া, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রামু থানার ওসি এ কে এম ফজলুল হক বলেন, “মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেয়। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। মাদক প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “গর্জনিয়াকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করবে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে মাদকাসক্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পরিবার ও সমাজকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।” আলোচনা সভা শেষে মাদকবিরোধী একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি গর্জনিয়া শাহ সুজা সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে পুলিশ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।