প্রকাশ :: ... | ... | ...

পটিয়ায় পরকীয়া করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে ধরা যুবদল নেতা, ভিডিও ভাইরাল


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: সংগ্রহীত

চট্টগ্রামের পটিয়ায় পরকীয়া করতে গিয়ে মিজানুর রহমান কফিল (৩৭) নামে এক যুবদল নেতাকে স্থানীয়দের হাতে ধরা খাওয়ার তিন ঘন্টা পর মুছলেকা দিয়ে মুক্ত হয়েছে। রোববার উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। কফিল একই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মৃত সোলায়মান মেম্বারের পুত্র। এদিকে পরকীয়া করতে গিয়ে আপত্তীকর অবস্থায় যুবদল নেতাকে পেয়ে স্থানীয়রা গণপিঠুনি দেয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ‘স্পিচ বাংলা নিউজ’ একটি পেইজে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যুবদল নেতা মিজানুর রহমান কফিলকে ওই এলাকার জনসাধারণ টেনে হেচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। কয়েকজন তাকে মারধর করতে দেখা যাচ্ছে। এক পর্যায়ে একটি সিএনজি যোগে এক মহিলা সহ স্থান ত্যাগ করতে দেখা যায়। স্থানীয় সূত্র জানায়, কোলাগাঁও ১নং ওয়ার্ডের এক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ পরকীয়া ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগ যুবদল নেতা মিজানুর রহমান কফিলের বিরুদ্ধে। রোববার দুপুরে কফিল ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গেলে স্থানীয়রা তাকে দেখে আটকে রাখে এবং উত্তমমাধ্যম দেয়। পরে তার পরিবার এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কফিলের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে একটি চুক্তিপত্রে মুছলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে বহিষ্কারের দাবীও করেন তারা। স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, বিষয়টি আমরা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় চরম উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে আমরা গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পরিস্থিতি শান্ত করি। এব্যাপারে অভিযুক্ত যুবদল নেতা মিজানুর রহমান কফিলের ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দিলেও তিনি কল কেটে দেন। এব্যাপারে পটিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব ওয়াহিদুল আলম পিবলু বলেন, মিজানুর রহমানের দলীয় কোন পদবী নেই। তবে যুবদলের কর্মী। অভিযোগটি সত্য হলের তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে পটিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল হক বলেন, কোলাগাঁও ইউনিয়নে এধরনের ঘটনায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।