| ছবি: দৈনিক দেশের কথা
টানা বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে হাজী আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং আগামী পৌর নির্বাচনের সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী হাজী আবুল বশর সিআইপি-এর উদ্যোগে পটিয়া পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতায় আটকে পড়া পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন। পরিদর্শনকালে হাজী আবুল বশর সিআইপি পটিয়া পৌরসভার ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতায় আটকে থাকা বিভিন্ন বাড়িঘর ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী এবং নগদ অর্থ তুলে দেন।একই সাথে মানবিক কাজের অংশ হিসেবে মন্জু নামে একটি কিডনী রোগীকে নগদ অর্থ প্রদান করেন এ সময় তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবগত হন। তিনি বলেন, "পটিয়া পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে প্রতি বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ মানুষকে বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "দুর্যোগের এই সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাই হাজী আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে সামর্থ্য অনুযায়ী ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আমি নিজে এলাকাগুলো ঘুরে মানুষের অভিযোগ শুনেছি এবং তাদের আশ্বস্ত করেছি যে, এই সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।" জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ সময় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরে হাজী আবুল বশর সিআইপি বলেন, "আগামী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে পৌরবাসীর সেবক হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। জনগণ যদি আমাকে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করেন, তাহলে জলাবদ্ধতা নিরসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করব। পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলে পটিয়াকে জলাবদ্ধতামুক্ত একটি আধুনিক ও মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলাই হবে আমার অন্যতম লক্ষ্য।" ত্রাণ বিতরণ ও এলাকা পরিদর্শনকালে হাজী আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ ও স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্যোগের সময় তাদের পাশে দাঁড়ানোয় ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাজী আবুল বশর সিআইপি ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।