কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নে এক প্রবাসীর বন্ধকী জমি জবরদখল এবং ওই জমিতে মালিকের অনুমতি ছাড়াই সেচ প্রকল্প স্থাপন করে আয়বর্ধনমূলক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। বারবাকিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কাদিমাকাটা এলাকার বাসিন্দা নুরুল আবছার বাদী হয়ে সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থানকালে তিনি তার ভোগ দখলীয় জমি ৩ নল ওয়ার্ডের বারাইয়াকাটা এলাকার মৃত দরফ আলীর পুত্র নুরুন্নবীর কাছে খাজনার ভিত্তিতে চাষাবাদের জন্য বন্ধক দেন। কিন্তু তার অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে বিবাদী নুরুন্নবী ওই জমির ওপর মালিকের অনুমতি ছাড়া বারবাকিয়া মাস্টার সেচ প্রকল্প স্থাপন করেন এবং প্রকল্পের মাধ্যমে আয়বর্ধনমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে থাকেন। লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, জমির প্রকৃত মালিক দেশে ফিরে তার বন্ধকী জমি ফেরত চাইলে বিবাদী তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এমনকি জমি ও সেচ প্রকল্পের দখল বুঝিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে তাকে গালিগালাজ ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। নুরুল আবছার দাবি করেন, তিনি আপোষ-মীমাংসার স্বার্থে সেচ প্রকল্প স্থাপনের যাবতীয় ব্যয় পরিশোধসহ ভবিষ্যতের খরচ বহনের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু বিবাদী তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে জমি ও প্রকল্পের দখল নিজের কাছে রেখে দেন। এ ঘটনায় তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম এর নিকট আইনগত প্রতিকার চেয়ে বিবাদীকে তলবপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নুরুন্নবীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।