প্রকাশ :: ... | ... | ...

পেকুয়ায় দিনদুপুরে শিক্ষকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট


সংযুক্ত ছবি

কক্সবাজারের পেকুয়ায় দিনদুপুরে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় চোরের দল নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, জমির দলিল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র লুট করে নিয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরের দিকে পেকুয়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল হামিদ সিকদার পাড়া এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বেলাল উদ্দিনের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় বাড়িতে কেউ ছিলেন না। বেলাল উদ্দিন বৃহস্পতিবার সকালে ব্যক্তিগত কাজে পেকুয়া চৌমুহনী এলাকায় যান। এর আগের দিন বুধবার সকালে তার স্ত্রী দিলদার আক্তার লিলি এবং ছেলে উজানটিয়া খান বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওমর সায়েম তুষার চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম শহরে যান। এ সুযোগে ফাঁকা বাড়িতে চোরের দল হানা দেয়। ভুক্তভোগী শিক্ষক বেলাল উদ্দিন বলেন, বুধবার চিকিৎসার জন্য আমার স্ত্রী দিলদার আক্তার লিলি চট্টগ্রামে যান। মায়ের সঙ্গে আমার ছেলে ওমর সায়েম তুষারও যায়। আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমি ব্যক্তিগত কাজে কলেজ গেইট চৌমুহনীতে যাই। যাওয়ার সময় ঘরের দরজায় তালা দিয়ে যাই। তিনি বলেন, দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়িতে ফিরে দেখি রান্নাঘরের দরজা খোলা। একটি রুমের মালামাল এলোমেলো। আরেকটি রুমে তালা দেওয়া ছিল। সেটি খুলে দেখি আলমারি, ওয়ারড্রপ ও শো-কেস খোলা এবং মালামাল তছনছ অবস্থায় পড়ে আছে। দেয়ালের একটি ভেন্টিলেটরও ভাঙা দেখতে পাই। পরে তিনি মোবাইল ফোনে স্ত্রীকে বিষয়টি জানান। তার স্ত্রী জানান, আলমারিতে দুই ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৭০ হাজার টাকা রাখা ছিল। চোরের দল এসবের পাশাপাশি জমির দলিল এবং ছেলে তুষারের সার্টিফিকেটও নিয়ে গেছে বলে জানান তিনি। বেলাল উদ্দিন আরও বলেন, চোরের দল প্রথমে রান্নাঘরের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। একটি রুমে তালা থাকায় পরে বাইরে থেকে ভেন্টিলেটর ভেঙে ওই রুমে ঢোকে। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে এ চুরির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানান, বেলাল উদ্দিন একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তার এক ছেলেও শিক্ষক। ছেলে ওমর সায়েম তুষার সম্প্রতি বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তার স্ত্রী দিলদার আক্তার লিলি পূর্বজোন মহিলা দলের নেত্রী। দিনদুপুরে বসতবাড়িতে এমন চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মেহেদী হাসান বলেন, বিষয়টি আমাকে কেউ অবগত করেনি। খোঁজ নিয়ে দেখছি।