গোয়ালঘরে বাঁধা ছিল গরু। রাতের আঁধারে চোরের দল গোয়াল থেকে গরুটি চুরি করে নিয়ে যায়। পরে পাহাড়ে নিয়ে গরুটি জবাই করে মাংস নিয়ে গেলেও রেখে যায় শুধু মাথা। সকালে গরু না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে জবাই করা গরুর মাথা পড়ে থাকতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মালিকের স্বজনরা। মঙ্গলবার দিবাগত ভোররাতে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের জুমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। চুরি হওয়া গরুটির মালিক টইটং জুমপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেম। তাঁর গোয়াল থেকে গরুটি চুরি করে নিয়ে পাহাড়ে জবাই করা হয় বলে অভিযোগ। বুধবার সকালে কাটা মাথাটি উদ্ধার করে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাজাখালী, টইটং ও বারবাকিয়া এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে জবাই করা গরুর মাংসও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রাজাখালী ইউনিয়নের হাজিরপাড়ার বাসিন্দা সমশুল আলমের ছেলে ইউনুছ, টইটং জুমপাড়া এলাকার নুরুল আমিনের ছেলে তৌহিদ এবং বারবাকিয়া ইউনিয়নের অপর একজন। গরুর মালিক আবুল কাশেম বলেন, আট মাস আগে এক লাখ টাকা দিয়ে গরুটি কিনেছিলাম। এখন গরুটির দাম প্রায় দুই লাখ টাকা হতো। কিন্তু গতকাল ভোররাতে চোরের দল গোয়ালঘর থেকে গরুটি চুরি করে নিয়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গরুটিকে না পেয়ে পাহাড়ের দিকে খুঁজতে যাই। একপর্যায়ে সেখানে জবাই করা গরুটির মাথা পড়ে থাকতে দেখি। দৃশ্যটি দেখে খুবই কষ্ট পেয়েছি। পুলিশ পরে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মাংস উদ্ধার করে রাজাখালী থেকে। এ ঘটনায় আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব। পেকুয়া থানার এসআই কৃষান জানান, এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।