প্রকাশ :: ... | ... | ...

মহেশখালীতে জমি দখল নিয়ে বিরোধের শক্ষায় স্থানীয়রা


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: মোহাম্মদ কাইছার হামিদ

মহেশখালীর চালিয়াতলী স্টেশনে বড়ুয়া সম্প্রদায়ের পৈত্রিক সম্পত্তি দখলীয়র জায়গায় স্থানীয় চিহ্নিত একটি চক্র রাতে আঁধারে দোকান ঘরের দরজা বন্ধ করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। যার কারণে তারা গত ৫ দিন ধরে দোকান ঘর খুলতে পারছে না। এ নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে যে কোন মূহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হওয়ার আশংকা ভোগছেন স্থানীয়। ‎ ‎কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলার বড়ুয়া পাড়ার বাসিন্দা সর্বানন্দ বড়ুয়া, সুবধি বড়ুয়া ও অপ্রিয় সুমন বান্তসহ ১০/১২ জন নারীপুরুষ জানান, উত্তর নলবিলা চালিয়াতলী স্টেশনের দু'পাশে রয়েছে উত্তর নলবিলা কেন্দ্রীয় সৈকত বৌদ্ধ বিহার'এর অধ্যক্ষ প্রয়াত তেজপ্রিয় মহাস্থবির নামীয় আরএস মুলে জায়গা। তিনি লোকান্তরে ওই জায়গার ভোগদখলে রয়েছেন ভোক্তভোগীরা। এদিকে বিএস জরীপে ভুল বশত ১নং খতিয়ান লিপিবদ্ধ হয়। যার বিএস দাগ যথ্রাক্রমে ২৩২৯, ২৩৩৪ এবং ২৩৩০। তা সংশোধনের জন্য তারা আদালতে মামলা ও দায়ের করেন। উচ্চ আদালত তা দীর্ঘদিন শুনানির শেষে খাস হওয়া জমিন খতিয়ান ভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন বলে ভোক্তভোগী পরিবার দাবী করেন। এমনকি এ নির্দেশনা কপি জেলা প্রশাসক, মহেশখালী এসিল্যান্ড অফিস ও কালারমারছড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পৃথক পৃথক ভাবে দায়ের করেছেন। এ খবর জেনে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল গত সম্প্রতি রাতের আঁধারে দোকান ঘরের সামনে ঘেরাবেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ তুলেন। যার কারণে তারা দোকান ঘর খুলতে পারছে না। দখলবাজদের এহেন আচরণ দেখে মনে হচ্ছে চালিয়াতলীতে মগের মুল্লুকের শাসন চলছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহেশখালী থানার ইনচার্জ আবদুস সোলতান জানান, বিষয়টি দেখার জন্য কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্পকে ঘটনাস্থলে পাটিয়েছেন। কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি মোশাররফ হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রভাবশালী মহল কর্তৃক দেয়া ঘেরাবেড়ার আংশিক খুলে দিয়েছেন। তবে উভয় পক্ষ কাগজপত্র নিয়ে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ ও দিয়েছেন। ‎