| ছবি: এমকে হামিদ
"পরের জমি হরণে, গতি নেই মরণে।" পুরানো বচনটি আবারও নবরূপে প্রধান্য পাচ্ছে। মহেশখালীতে আদালত কর্তৃক আদেশে পৃথক পৃথক দু'টি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন এসিল্যান্ড। এতে স্বস্তি ফিরে প্রকৃত জমির মালিকদের মাঝে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ১১টার থেকে বিকেল পর্যন্ত বৃষ্টি-বাদল উপেক্ষা করে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় আদালত কর্তৃক আদেশে পৃথক পৃথক দু'টি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন এসিল্যান্ড। প্রথমে উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের দৈলার পাড়া হাজী মোহাম্মদ এর ক্রয়কৃত ১৫শতক জায়গা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলো স্থানীয় প্রভাবশালী আব্দুল গফুর নামক ব্যক্তি। আদালতে লড়াই করে অবশেষে প্রকৃত মালিক বাদীপক্ষ তার খরিদা জায়গার উপর ডিক্রি প্রাপ্ত হন এবং আদালত তাকে জায়গার দখল বুঝিয়ে দেওয়ার আদেশ হয়। অপরদিকে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পশ্চিম কালাগাজির পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে প্রায় দু'যুগ ধরে ডাঃ বাদশার জায়গা স্থানীয় প্রতাপশালী কবির আহাম্মদ অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলো। দীর্ঘদিন আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে আদালত কর্তৃক বাদীর স্বত্ব মালিকানা প্রতীয়মান হয়। আদালত কর্তৃক বাদীকে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার আদেশ হয়। উক্ত কোর্ট কর্তৃক অবৈধ দখলদার হতে জায়গা উদ্ধার করে ডিক্রীপ্রাপ্ত মালিকদ্বয়কে বুঝিয়ে দেওয়ার হয়। কোর্টে আদেশ বাস্তবায়ন করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আবু জাফর মজুমদার। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী থানার ওসি(তদন্ত), কোর্টের নিয়োগকৃত উকিল কমিশনার, নাজির, আইনশৃংখলা বাহিনী, ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদ্বয়। ইদানীং এমন অভিযান দেখে আতঙ্কিত অবৈধ দখলদারেরা। স্বস্তি নিঃশ্বাস পাচ্ছেন আইনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনকারী ভোক্তভোগী পরিবারদ্বয়। এতে প্রশংসায়ও ভাসছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম জানান, উপজেলা প্রশাসন সর্বদা ন্যায়, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও অসহায় পরিবারের পক্ষে থাকবে।