প্রকাশ :: ... | ... | ...

মহেশখালী কোরবানির পশুর হাট শেষমুহুর্ত জমজমাট


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: এমকে হামিদ

মহেশখালী উপজেলার কয়েকটি বৃহৎ হাট বাজারের মধ্যে মধ্যবর্তী ঐতিহ্যবাহি কালারমারছড়া বাজার অন্যতম। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে প্রতিবছর ন্যায় জিলহজ্ব এর চাঁদ দেখা নিয়ে বসে কোরবানির পশুর হাট। তবে প্রথম দিকে ক্রেতা-বিক্রেতার তেমন দেখা না মিললেও শেষমুহুর্ত জমজমাট হয়ে উঠেছে। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যভাবে ব্যবসা বাণিজ্য করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। ‎ ‎কক্সবাজার মহেশখালী উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কালারমারছড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের হাট বাজারটি বৃহৎ এবং অন্যতম। প্রতি সোমবার এবং বৃহম্প্রতিবার সপ্তাহে দু'দিন বাজারটি বসে। তবে কোরবান উপলক্ষ্যে কোরবানের আগমুহূর্ত পর্যন্ত হাট বাজারগুলিতে ক্রয়বিক্রয় চলবে। এতে ধলঘাটা, মাতারবাড়ী, হোয়ানক, বড় মহেশখালী, ছোট মহেশখালী, শাপলাপুর ও কুতুবজোম ছাড়া উপজেলা-জেলার বাইর বিভিন্ন প্রান্তর থেকে ক্রেতা-বিক্রেতার বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে আসে। কিন্তু ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত বৃহৎ হাট বাজাটিতে বড়, ছোট মাঝারি ষাঁড় তথা গরু, গয়াল, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া উঠে। এমনকি একটি ষাঁড় বা গরুর দাম হাঁকানো হয়েছে সর্বোচ্চ সাড়ে ৫ লাখ টাকা। সর্বনিম্ন ৪৫ হাজার। এছাড়া ছাগলও ৭ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বেচা-বিক্রিও বেশ হয়েছে। তবে অনেকে কোরবানের আগমুহূর্তের জন্য অপেক্ষায় রযেছে। কেউ বেশি দামে বিক্রি করবে। আর ক্রেতারা কম দামে নেওয়ার প্রত্যাশায়। ঐতিহ্যময় কালারমারছড়া বাজার বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি ও যুবনেতা জিয়াউর রহমান জিয়া মাতাব্বর জানান, বাজারটি নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা। নিঃসন্দেহ ক্রয়-বিক্রয় করে আরামে বাড়ী ফিরতে পারবেন। ‎অন্যদিকে পবিত্র কোরবান উপলক্ষ্যে উপজেলা কর্তৃক ইজারাকৃত হাট বাজার ছাড়া ছোট ছোট বাজারও প্রধান সড়কে চলছে পশুর হাটের জমজমাট ক্রয়-বিক্রয়। এতে যানচলাচলে সাময়িক অসুবিধা অনুভব করে যাত্রীরা। অন্যদিকে ইজারাকৃত বাজারের লোকসানের সম্ভনা রয়েছে। স্থানীয়রা সরকার কর্তৃক ইজারাবিহীন হাট বাজারগুলি আগামী ইজারার আওতায় নিয়ে আসে রাজস্ব বাড়ানোর দাবী জানান।