দেশে মাদকের ছড়াছড়ি, যুব সমাজ নষ্টের পিছনে মাদকই যথেষ্ট। তবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে প্রতিনিয়ত পরিচালনা করা হচ্ছে মাদক, সন্ত্রাস ও বিভিন্ন অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান। মঙ্গলবার (৫মে) গেলরাত কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ইয়াবা সম্রাট ও মানব পাচারকারী কুতুবজোমের মোহাম্মদ নুরকে। তার আটকের খবর এলাকায় ছড়ি পড়লে সোস্যাল মিডিয়ার নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়। সচেতনমহল মহেশখালী থানাকে ধন্যবাদ জানান। এদিকে মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়ন মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হলে। ওই ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। যা উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়ন বা পৌরসভায় পর্যন্ত প্রতিবাদ জানাননি। কুতুবজোমের সচেতনমহল নিজস্ব এফবিতে স্ট্যাটাস দিয়ে থানা পুলিশকে ধন্যবাদ দেন "ধন্যবাদ" মহেশখালী থানা পুলিশ
অবশেষে জেলার শীর্ষ মানবপাচারকারী, ইয়াবা সম্রাট, দেশের মুল্যবান সামগ্রী পাচারকারী, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমার মাফিয়া ডন কুতুবজোম তাজিয়াকাটা বার্মাপাড়ার সেই মোহাম্মদ নুর পুলিশের ফান্দে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা তাকে রিমান্ডে এনে তার অপকর্মের সবকিছু জনগণের সম্মুখে উন্মোচিত হোক। এছাড়া আরো দু'জনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রচুর দেশীয় চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।
থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে এ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে প্রস্তুতকৃত দেশীয় মদ জব্দ করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই চক্রটি এলাকায় মাদক, মানবপাচার, চোরাইমালসহ বিভিন্ন ধরণের অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল, যা সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল। তবে কেউ ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেন না। এমন অভিযান অব্যাহত থাকলে অপরাধ জনিত কার্যক্রম থেকে দ্বীপবাসী সুরক্ষা পাবে। মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সুলতান জানান- অপরাধী যেই হউক না কেন, একবিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবে না।