প্রকাশ :: ... | ... | ...

একটু বৃষ্টিতে ‎মহেশখালীর প্রবেশপথ জলাবদ্ধতা; দুর্ভোগে যাত্রীরা


সংযুক্ত ছবি

দেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ কক্সবাজার মহেশখালীর প্রবেশপথ চালিয়াতলী বাজার একটু বৃষ্টি হলে পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয় প্রধান সড়কসহ দোকানপাঠ। দূর্ভোগে পড়ে যাত্রী ছাড়াও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ‎ ‎সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সামন্য বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢল নেমে প্লাবিত হওয়া দৃশ্যমান স্থানটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা মহেশখালীর প্রবেশদ্বার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চালিয়াতলী বালুর ডেইল বাজার। সচেতন মহলের ভাষ্য অনুসারে জানাগেছে, দীর্ঘমেয়াদি গেল সরকারের আমলে রাস্তাঘাটের বেশ উন্নয়ন হয়েছে। তবে অপরিকল্পিত উন্নয়নের অংশবিশেষ পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে সড়ক নির্মাণ করায় একটু বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে যান চলাচল ব্যাঘাত, দোকানপাঠ প্লাবিত হয়ে স্থানীয় ছোট-বড় ব্যবসায়ী চমর দুর্ভোগ পড়ে প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্থের হচ্ছে। এমনকি ইজিবাইক, সিএনজি, ছারপোকা, নোহা, ও প্রাইভেট কারসহ মালবাহি ছাড়া দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনার ঝুঁকির শঙ্কায় ভেগছেন স্থানীয়রা। ‎ ‎এদিকে উপজেলা দু'টি প্রধান সড়ক শাপলাপুর ইউনিয়নের গোরকঘাটা এবং কালারমারছড়া হয়ে গোরকঘাটা তথা মহেশখালী সদরে বিভিন্ন মডেলের যানবাহন যোগে প্রত্যেকদিন যাতায়ত করে হাজার হাজার জনসাধারণ। কিন্তু পাশের উপজেলা চকরিয়া বদরখালীতে যাতায়ত করতে সৃষ্ট দূর্ভোগে পোহাতে হয়। এহেন দূর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান স্থানীয় ব্যবসায়ী আবুল কাসেম সওদাগর, তারেক মোহাম্মদ রায়হান, নুরুল কবিরসহ অনেকেই। আবার অনেক সচেতন মহল সোস্যাল মিডিয়া পোস্ট করে দৃশ্যমাণ জলবদ্ধতা নিরসনে হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট। ‎ ‎অপরদিকে হাঁটু পরিমাণ জল দিয়ে হেটে ভোগান্তিতে পড়ছে স্বনামধন্য উত্তর নলবিলা উচ্চ বিদ্যালয়, চালিয়াতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ চালিয়াতলী নূরানী মাদ্রাসা পড়ুয়া কচিকাঁচা শিক্ষার্থীরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক ও স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী জনদূর্ভোগে পড়া জায়গা প্রচুর সরকারী জায়গা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যেভাবে চায়, সেভাবে পানি নিষ্কাশনে ড্রেন বা নালা স্থাপন করে শিক্ষার্থীসহ সর্বসাধারণের দূর্ভোগ রোধ করার দাবী তুলেন। ‎ ‎অন্যদিকে সরকারের একাধিক মেগা প্রকল্প মহেশখালীতে হওয়ায় সড়ক দিয়ে অসংখ্য দেশি-বিদেশি পর্যটক ও সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন পদে পদস্থ কর্মকর্তা, কর্মচারী ও চাকরীজীবিরা যাতাযত করে। এতে ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে সৌন্দর্যময় দ্বীপের। ‎ ‎মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম জানান- বিষয়টি আমলে নিয়ে শিক্ষার্থী ও সর্বসাধারণের দূর্ভোগ রোধ করতে দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে। ‎