| ছবি: সংগৃহীত
সম্ভবনাময় মহেশখালী সরকারের মেগাপ্রকল্পে কার্য চলমান। নির্মাণ কাজে বালির প্রয়োজন অন্যতম। যার দরূন স্বর্ণের হরিণ স্বরূপ বালি বিক্রি নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-আ'লীগ সিন্ডিকেটের সাথে স্তূপকৃত জমির মালিকের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এক যুবক আহত হয়। তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে যেকোন মুহুর্তে খুনখারাপি হওয়ার শঙ্কায় স্থানীয়রা। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কক্সবাজার মহেশখালী মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ সংলগ্ন ধলঘাটার মুহুরী ঘোনা এলাকাস্থ কোহেলিয়া নদীর পাড়ে মীর আকতার কোম্পানীর ভরাটকৃত বালি নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-আ'লীগ সিন্ডিকেটের সাথে জমির মালিক ও স্থানীয়দের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় ধলঘাটার মুহুরী ঘোনার কামাল নামক এক যুবক আহত হয়। কামাল হোছাইন(৩০) ধলঘাটা ইউনিয়ন বিএনপি'র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান আহমেদের পুত্র। প্রত্যেক্ষদর্শী ও জমির মালিকের বরাত জানাগেছে, বিগত কয়েক বছর পূর্বে কোহেলিয়া নদীর ওপর সেতু এবং সড়ক কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার কোম্পানী মীর আকতার ১২কানি জায়গা মালামাল রাখার জন্য চুক্তিভিত্তিক ভাড়া নেন। ওই চুক্তি মোতাবেক ছয় মাসের ভাড়া বকেয়া রাখিয়েছে। উক্ত ভাড়ার জন্য কোম্পানীর মারুফ নামক দায়িত্বরত অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে, তিনি রেসপন্স করে না।বরঞ্চ সেখান থেকে তাদের জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলে। শেষ পর্যন্ত ভরাটকৃত বালিগুলি একাধিক জনকে বিক্রি করা অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এর পূর্বে দাওয়া পাল্টা দাওয়া হলেও বড়ধরণের সংঘাত হয়নি। তবে সকালে বড় বড় ট্রাক যুগে বালি বিক্রির সময় জমির মালিক আমির হোসেন পুত্র শাহ আলম ও সাস্থীয়রা বাঁধা দিলে প্রতাপশালী সিন্ডিকেটের সাথে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে কামাল নামক ওই যুবক মারাত্মকভাবে জখম হয়ে আহত হয়। মারধরের শিকারে আহত কামালের খবর পাড়ায় পৌঁছলে সেখান থেকে নারী পুরুষ ভেঙ্গে আসে। ঠিক তখনই মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্পের আইসি রাজু আহমেদ গাজীসহ সঙ্গী ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে বড় ধরণের সংঘাত থেকে রক্ষা হয়েছে বলে জানান প্রত্যেক্ষদর্শীরা। সুত্র জানান- পুলিশের আইসি রাজু উভয়পক্ষকে শান্ত থাকা এবং ২০ঘন্টার মধ্যে যার প্রাপ্ত তাকে বুঝিয়ে দিয়ে বিরোধ মিমাংশ করা অনুরোধ জানান। স্থানীয়রা জানান- এখন আনুষ্ঠানিকভাবে আ'লীগ মাঠে ময়দানে না থাকলেও অপ্রকাশ্যে সিন্ডিকেট করে কিছু নামধারী বিএনপি জামায়াতে সাথে মিলিয়ে রমরমা ব্যবসা করে আসছে। এতে তারা বিভিন্নভাবে বঞ্চিত এবং হয়রানী হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। বিষয়টি স্থানীয় এমপি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা। মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবদুস সুলতান প্রতিবেদক কে বলেন আইন শৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটার চেষ্টাকারী সেই যেই হউক না কেন পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে।