প্রকাশ :: ... | ... | ...

মহেশখালী সড়কে সিএনজি থেকে ৮টি অস্ত্রসহ আটক ২ ‎


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: এমকে হামিদ

কক্সবাজার মহেশখালীতে একটি সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে আটটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুটি মোবাইলসহ দুই ব্যক্তি পুলিশের হাতে আটক। ‎ ‎ ‎২৯ আগস্ট (শনিবার) রাত পৌন ১২টার দিকে মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালীস্থ ঠাকুরতলা চৌরাস্তা মোড়ে ওসি তদন্ত প্রতুল কুমার শীলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ চেকপোস্ট বসায়ে একটি সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন মডেলের আটটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুটি মোবাইল ফোনসহ দুই ব্যক্তি পুলিশের হাতে আটক। ‎ ‎আটককৃত হলেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কুসুমপুর ইউনিয়নের হরিনখাইন এলাকার মোতাহের হোসেনের ছেলে মোঃ রুবেল মিয়া (৩৪) এবং মহেশখালীর ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের ঠাকুরতলা এলাকার মৃত মনিন্দ্র দের ছেলে মানিক দে (৩৮)। ‎ ‎৩০ আগস্ট মহেশখালী থানার প্রেসব্রিফিং এ জানা গেছে- উপজেলার ছোট মহেশখালীর ঠাকুরতলা চৌরাস্তা মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়। ওইসময় আদিনাথ জেটিঘাট থেকে বদরখালীগামী একটি সবুজ রঙের সিএনজি পুলিশের সংকেত পেয়ে ভেতরে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি দ্রুত পালানোর চেষ্টা করেন। তাদের ধাওয়া করে দুজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অপর দু'জন পালিয়ে যান। পলাতক অপর দুই ব্যক্তিকে আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের পরিচয় আপাতত প্রকাশ করা হয়নি। ‎ ‎পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে সিএনজিটিতে তল্লাশি চালিয়ে একটি কালো রঙের ট্রাভেল ব্যাগের ভিতরে সাদা ও কালো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় একটি দেশীয় তৈরি রাইফেল, ছয়টি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক এবং একটি এলজিসহ আটটি আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করা হয়। এ ছাড়া গ্রেফতারকৃতদের হেফাজত থেকে ইনফিনিক্স ও ভিভো ব্র্যান্ডের দু'টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যেক্ষদর্শীদের ভাষ্য, চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশের তল্লাসি অভিযান অব্যাহত থাকলে এসব অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ীরা রেহায় পাবেনা। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা যাবে। এতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও পাহাড় অবস্থানরত অপরাধীদের আটক করে অস্ত্র উদ্ধারের দাবী জানান। ‎ ‎মহেশখালীর অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুস সুলতান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চেকপোস্ট বসায়। চেকপোস্টে একটি সিএনজিতে তল্লাসি চালিয়ে ৮টি অস্ত্র, দু'টি স্মার্ট মোবাইলসহ দু'জনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান। এমন বেআইনী কাজে জড়িত ও সুপারিশ কারীদের বিরুদ্ধের আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।