| ছবি: এম জাবেদ হোসাইন
প্রতিবেশি রায়হান তার মোবাইলে লুডু খেলার জন্য ডাকদিতে আসে প্রতিবেশি ইমন কে, ইমন লুডু খেলবেনা বলে রায়হানকে চলে যেতে বলে, রায়হান বলে তোর জন্য বিকালে বৈঠক ডাকবো থাকিস এই কথা বলার সাথে সাথে রায়হানের মা জাহেদা , বলে তাদের কে ঘর থেকে বের করে মার। এই কথা বলে ইমনের বাবা জাফর বাজার থেকে ঘরে ডুকার সাথে সাথে রায়হান ও তার মা ইট মেরে জাফার কে আঘাত করে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এইসব কথা বলেন জাফরের স্ত্রী রুনা। ঘটনাটি ঘটে মীরসরাই উপজেলার ১২ নং খৈয়াছড়া ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড পশ্চিম পোলমোগরা গ্রামের তাজু সওদাগেরর বাড়িতে। আবুল হোসেন প্রকাশ জাফর (৪৮) ঐ গ্রেমের মৃত বদিউল আলমের পুত্র। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন মোবাইল চক্কা খেলা কে নিয়ে কেন্দ্র করে রায়হান ইমনকে ডাকতে আসে রায়হান খেলবেনা বল্লে রায়হানের মা জাহেদা ও রায়হান ইটনিয়ে আঘাত করে। মীরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর জুরুরী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক বাঁধন দাস বলেন, হাসপাতালে আসার আগে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের কোন চিহৃ পাওয়া যায়নি। ধারণা করা যাচ্ছে স্টোক করে মারা গেছে। মীরসরাই থানার ওসি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে রায়হান ও ইমনের মধ্যে ঝগড়া হয়। বিষয়টি শুনে ইমনের বাবা জিজ্ঞেস করতে যায়। তখন রায়হান ও তার মা জাহেদার সাথে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে জাহেদা বড় পাথর ছুড়ে মারে জাফরের বুকে। সাথে সাথে জ্ঞান হারিয়ে জাফর মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় রায়হানের ও মা জাহেদাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।