| ছবি: এম জাবেদ হোসাইন
মীরসরাই উপজেলার ১নং করেরহাট ইউনিয়ন করেরহাট বাজারে মেধাবৃত্তি নামে অবৈধ ভাবে চলছে রমরমা লটারি বাণিজ্য। গত ১ এপ্রির থেকে অবৈধ র্যাফেল ড্রয়ের নামে চলছে এই লটারি বাণিজ্য। এটি এখন করেরহাট বাজারের মূল আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। লোভনীয় বিভিন্ন অফারের লোভে সাধারণ মানুষ প্রতিদিন লটারি কাটছে। জানা গেছে, উদয়ন মেধাবৃত্তি উপলক্ষে প্রতি বছর এই লটারির আয়োজন করা হয় কিন্তু প্রশাসন থেকে কোন অনুমতি নেওয়া হয় না, গত বছর মীরসরাই উপজেলা প্রশাসন লটারি বিক্রি বন্ধ করে দেয়। লটারি বিক্রিয়ে চটকদার সব বিজ্ঞাপন প্রচার করে যেমন- মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, টিভি, ফ্রিজসহ বিভিন্ন রকমের ৪০টি পুরস্কারের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রকাশ্যে র্যাফেল ড্রয়ের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। লোভে পড়ে গ্রামের সরল মানুষ কিনছেন এসব লটারি। আয়োজক ও র্যাফেল ড্র-সংশ্লিষ্টরা এভাবে প্রতিদিন মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, করেরহাট বাজারে স্টল সাজিয়ে মাইক লাগিয়ে রাত দিন বিক্রি করেছে এই লটারি , নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী বলেন করেরহাট বাজার প্রতিটা দোকানে ও ব্যবসায়ীদের একটি করে চিঠি ধরিয়ে দিয়ে অনুদানের নামে চাঁদা উত্তোলন করে। এবং অনুষ্ঠানের দিন রাতভর কনসার্টের আয়োজন করা হয়। এতে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা অনেকটা ক্ষুব্ধ। লটারি বিক্রির অনুমতি ও ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে উদয়ন ক্লাবের সভাপতি ছালেহ আহমেদ ডিপটি বলেন গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছর আমাদের এই আয়োজন, প্রতিবছর আমরা লটারি বিক্রি করে থাকি। প্রশাসন থেকে অনুমতি নেওয়া হয়না তাদের দাওয়াত দেওয়া হয়। আর বাজারের ব্যবসায়ীদের থেকে কোন প্রকার চাঁদা নেওয়া হয়না তারা যা খুশি তা দেয়। মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোমাইয়া আক্তার বলেন, লটারি বিক্রির জন্য আমার কাছে আসছিলো আমি না করে দিয়েছি, প্রশাসনের অনুমতির কোন সুযোগ নেই । কোন প্রকার অবৈধ লটারি বিক্রি করা যাবে না। আর চাঁদা নেওয়ার বিষয়ে কেউ আমার কাছে অভিযোগ দেয়নি, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।