প্রকাশ :: ... | ... | ...

ওমান প্রবাসী ওমর ফারুক হত্যা: হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধারের পর গ্রেফতার লিয়াকত


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: মোহাম্মদ তৈয়্যবুল ইসলাম

পাহাড়ের লিচু বাগান থেকে হাত-পা বাঁধা অর্ধগলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় অবশেষে ক্লু মিলল। রাঙ্গুনিয়ার ওমান প্রবাসী ওমর ফারুক (৩৫) হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করতে শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান অভিযুক্ত লিয়াকত আলীকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে বোয়ালখালী থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছে সে। গত রবিবার (৭ জুন) রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বাধুনিক সহায়তায় দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া এলাকায় এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত লিয়াকত আলী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার জঙ্গল সরফভাটার মাতব্বর বাড়ীর শামসুল আলমের ছেলে। নিহত ওমর ফারুকও একই এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (৬ জুন) সকাল ১১টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলার ৮ নং শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জ্যৈষ্ঠপুরা পাহাড়ের 'অরিহুরার চর' এলাকার একটি লিচু বাগান থেকে এক অজ্ঞাতনামা যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারের সময় মরদেহের হাত-পা বাঁধা ছিল এবং শরীর প্রায় অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল। পরবর্তীতে নিহতের পরিবারের সদস্য এবং পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় লাশটি নিখোঁজ ওমান প্রবাসী ওমর ফারুকের বলে শনাক্ত করা হয়। ফারুকের বাড়ি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা মীরেরখীল এলাকায়। বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আমরা দ্রুততম সময়ে আসামির অবস্থান শনাক্ত করে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থেকে লিয়াকত আলীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। এই ঘটনার পেছনে আর কোনো চক্র বা ব্যক্তি জড়িত আছে কিনা, তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছি।" প্রবাসী ফারুককে কেন এবং কী কারণে এত নিখুঁত পরিকল্পনায় পাহাড়ের নির্জন লিচু বাগানে নিয়ে হত্যা করা হলো, তা জানতে লিয়াকতকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং নিহতের পরিবার আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।