প্রকাশ :: ... | ... | ...

রাঙ্গুনিয়ায় ফ্রি চক্ষু সেবা ক্যাম্পে ভিড় দুই শতাধিক মানুষ পেলেন চিকিৎসা


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: মোহাম্মদ তৈয়্যবুল ইসলাম

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নে ফ্রি চক্ষু সেবা ক্যাম্পে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে স্থানীয়দের মধ্যে। লায়ন্স ক্লাব অব কর্ণফুলী ও কে.কে. এম. রফিক বিন ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, ছানি রোগী শনাক্তকরণ, অপারেশন সুবিধা, ফ্রি ওষুধ বিতরণ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে বগাবিলী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই ক্যাম্পে লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মিথিলা দাশ ও ডা. মাহফারা লাজিম ইজমাসহ ৭ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম অংশ নেয়। তারা প্রায় দুই শতাধিক সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান করেন। ক্যাম্পে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল জেলা গভর্নর লায়ন্স মুসলেহ উদ্দিন অপু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন কহিনুর কামাল এবং অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন লায়ন কামরুজ্জামান লিটন, লায়ন আবু বক্কর সিদ্দিক, লায়ন ইকবাল হোসেন সুমন, লায়ন কে.আর.এম খাইরুদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী হিরু, লায়ন ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেম, লায়ন মিরাজুর রহমান তুহিন, লায়ন এড. জয় বড়ুয়া। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কে.আর.এম পিয়ার উদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী, ফাউন্ডেশনের আয়োজক কে.আর.এম জিয়া উদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী, কে.আর.এম এমরানুল হাসান চৌধুরী ইমু এবং কে.আর.এম সরফুদ্দীন মাহমুদ চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। স্থানীয় নেতৃত্বের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোরশেদুল আলম চৌধুরী রুবেল, রাঙ্গুনিয়া ব্রিক মালিক সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী খোকন, ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান রনি, রাজানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, বগাবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান, প্রধান শিক্ষক এস এম ইকবাল রশিদ এবং প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য পেয়ারুল আলম তালুকদারসহ অন্যান্যরা। সকালের শুরু থেকেই বগাবিলীর প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা অসহায় ও খেটে-খাওয়া মানুষদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চক্ষু সেবা নিতে দেখা যায়। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে সেবাদান কার্যক্রমকে সহযোগিতা করে। আয়োজকরা জানান, এর আগেও রফিকাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে একই ধরনের চক্ষু সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা এবং চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত গ্রামীণ এলাকাগুলোতে এই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।