| ছবি: সংগ্রহীত
রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার তিন নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের যৌথ খামার এলাকায় সাবেক ইউপি সদস্য ও বাঙ্গালহালিয়া বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর রেকর্ড ভূক্ত জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ করেছেন প্রশাসনের নিকট । জানা যায় জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ৩২০নং কাকড়াছড়ি মৌজায় ১নং খতিয়ানের ডকেট নং ২৩৩৫২তাং ৩ই নভেম্বর ২০১৩ ইং নিম্ম তফশিল ও চৌহদ্দি মোতাবেক ৪ (চার) একর জায়গা ও গাছ পালা সহ সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ পিতা ঃ বাদশা মিঞা এর নিকট থেকে তিনশত টাকার স্টাম্পের মুল্যে মাননীয় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/ নোটারি পাবলিক রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার মাধ্যমে ২০মে ২০২৪ সনে নয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। ক্রয় সূত্র থেকে জায়গায় গুলো ঘেরা বেড়া দিয়ে রক্ষানা বেক্ষন করে আসছেন ইউপি সদস্য। মামলার বিবাদীগণ ক্যহ্লাচিং মারমা পিং মৃতঃমংসাপ্রু মারমা,সিংমং মারমা, ,পলুমা মারমা ,আমেমা মারমা, প্রকাশ মেমা মারমা, ,মাথুই মারমা, উভয়ের সাং যৌথ খামার ৫নং ওয়ার্ড, ৩ নং বাঙ্গালহালীয়া ইউনিয়ন, চন্দ্রঘোনা থানা, রাজস্থলী জেলা রাঙ্গামাটি। তাদের জায়গা দাবি করে জোর পূর্বক দখলের পাঁয়তারার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা বরাবরে মিস পিটিশন দাখিল করছেন। সে সুবাদে প্রকৃত জায়গার মালিক কে সে বিষয়ে বিজ্ঞ আদালত রাজস্থলী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নিবার্হী কর্মকর্তা কে তদন্ত পূবক প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেন। ইতিমধ্যে গত সপ্তাহে সরজমিনে তদন্ত করেছেন নির্বাহী কর্মকর্তা ।তদন্ত কালে ইউপি সদস্য, স্থানীয় কারবারি, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেন সাবেক কাকড়াছড়ি মৌজার হেডম্যান ক্যমং চৌধুরী তফসিল ভুক্ত জায়গাটি চৌহদ্দি মুলে ২৬.৬.১২ ইং সালে প্রতিবেদন দিয়েছেন। বিষয়টি চন্দ্রঘোনা থানা সাধারণ ডাইরি করা হয় যা ডাইরি নং ২৫৪ ০৮/৯/২০২৫। থানায় ডাইরির অনুকূলে তদন্ত ও হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোঃ মোজাম্মেল হকের প্রতিবাদে ও উল্লেখ করেছেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জায়গাটি আবুল কালাম আজাদ এর নিকট থেকে ক্রয় করেছেন। বিবাদীগন জোরপূর্বক জায়গায় দাবি করার পাঁয়তারা করছে। এবং যায়গায় দখলের উদ্দেশ্যে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জায়গাটি উপর থেকে বিভিন্ন প্রকার চারা উঠাইয়া নষ্ট করে অনুমানিক ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিসাধন করেছেন। যায়গায় জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী গেলে তাকে বিবাদীগণ তাহাকে মারধর করতে আসেন। বিষয়টি নিয়ে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গত ২৩-৬-২০২২ ইং সনে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে বিবাদীগণ ভুল শিকার করেছেন বলে আপোষ নামায় উল্লেখ করেছেন। সেখানেও বিবাদী গণ তাদের নামে কোন কাগজ পত্র দাখিল করতে পারে নাই। স্থানীয় ইউপি সদস্য মংউচি মারমা বলেন ক্রয় সুত্রে জায়গায় প্রকৃত মালিক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।সে জায়গাটি ক্রয় করে গাছপালা রোপণ করে আসছে। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বেশ কয়েকবার পরিষদে বৈঠক হয়েছিল। সেখানে একটি সুন্দর সমাধান হয়েছে। তার পরেও বিবাদীগণ জোর পূর্বক একটি ঝামেলা সৃষ্টি করে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এ বিষয়ে বিবাদীগনের সাথে কথা বল্লে তারা বলেন আমাদের কোন কাগজ পত্র, ( ডকুমেন্টনেই) আমরা সরকারের পূর্ণবাসীত জায়গাই দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছি। যদি সমঝোতা হয় তাহলে আপোষ মিমাংসা করে নেব। এদিকে সাবেক ইউপি সদস্য ও বাঙ্গালহালিয়া বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন আমার ক্রয় কৃত যায়গাটিতে যেন আমি সুষ্ঠ ও শান্তি পরিবেশে রোপন করা গাছ গাছালি গুলো পরিচর্যা করতে পারির তাহার সু ব্যবস্থা গ্ৰহনে প্রশাসনের নিকট দাবি জানাচ্ছি।