প্রকাশ :: ... | ... | ...

লামায় আদালতের স্থিতাবস্থা সত্ত্বেও জমি দখলের চেষ্টা


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: তৈয়ব আলী

বান্দরবানের লামায় বিরোধপূর্ণ জমিতে আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশনা থাকলেও তা অমান্য করে গাইড ওয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ও মোঃ ইউনুস গংদের বিরুদ্ধে। লামা পৌরসভাধীন ২৯৩ নং ছাগল খাইয়া মৌজায় আদালতের আদেশ অমান্য করে নালিশি জমি দখলের উদ্দেশ্যে পানি চলাচলের ঝিরিতে গাইড ওয়াল নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে লামা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড সাবেক বিলছড়ি এলাকায় অসহায় নারী জাহেদা খাতুন (৭০) এর সাথে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ও মোঃ ইউনুস গংয়ের মাঝে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এই বিষয়ে প্রতিকার পেতে বৃদ্ধা জাহেদা খাতুন লামা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে সিআর মামলা ১২১/২৬ এবং লামা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিপক্ষের অনাধিকার প্রবেশ বারিত করতে পিটিশন মামলা ৩৯/২০২৬ রুজু করে। জানা গেছে, জাহেদা খাতুন ২৯৩নং ছাগলখাইয়া মৌজার আর/৮৯ নং হোল্ডিংয়ে ২ একর জমির মালিক আদালতের নির্দেশে লামা থানা পুলিশ উভয়পক্ষকে বিরোধীয় জায়গায় না যেতে ও আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নোটিশ জারি করে। কিন্তু পুলিশি বাঁধা ও আদালতের নির্দেশনা মানছেনা বিবাদী পক্ষ। মোঃ ইউনুস মিয়া গং গত ২ মে বিরোধী জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে গাইড ওয়াল নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এতে বাদীপক্ষ বাধা দিলে বিবাদীপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত মোঃ ইউনুস মিয়া ক্রয়সূত্রে বিরোধীয় জমির মালিকানা দাবি করে বলেন, আমাদের দীর্ঘ বছরের ভোগ দখলীয় জমিতে আমরা ভোগ দখলে স্থীত আছি। পুলিশের নোটিশ পেয়ে উক্ত জমিতে আপাদত নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখেছি। আমাদের মালিকানার কাগজপত্র আছে। কিন্তু বাদীপক্ষ অহেতুক আমাদের হয়রানি করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে নালিশী জমিতে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতি অবস্থা বজায় বজায় রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। এরপরেও যদি বিবাদীগণ নির্মান কাজ চালিয়ে যায়, তাহলে সেই অনুযায়ী আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। বাদীপক্ষকে বিজ্ঞ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।