| ছবি: দেলোয়ার হোসেন রশিদী
চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে পরিবহনে সিন্ডিকেট চাঁদাবাজি এখনো থামেনি। আরকান শ্রমিক ইউনিয়নে মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুসার নেতৃত্বে সিন্ডিকটের সদস্যরা শ্রমিক কার্ড চেকের নামে দিয়ে পুনরায় চাঁদাবাজির করছে। এতে অতিষ্ট হয়ে উঠছে সাধারণ শ্রমিক পরিবহন মালিকরা। এ নিয়ে ক্ষোভে ফুটছে মালিক শ্রমিকরা। উর্দ্ধতন এর হস্তক্ষেপ কামনা করছে তাঁরা। ঈগল ও হানিফ পরিবহনের মালিক গণ বলেন, বিগত পতিত সরকারের অন্যতম দোসর মুসা সাহেব বিভিন্ন টোকেন মাধ্যমে চাঁদাবাজি আদায় করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে। তার এ অপর্কম বিরুদ্ধে সর্বস্তরের মালিক শ্রমিকরা নানাভাবে আন্দোলন করে প্রতিকার পায়নি। তিনি আরো জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খানের পৃষ্ঠপোষকতায় চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে লোহাগাড়া সহ ভয়ংকর রুপে তাদের নানাভাবে দাপট দাপিয়ে নৈরাজ্য সহ চাঁদাবাজি করেছেন। সরকার পতনের পর গাযেব ও গা ঢাকা দেয়। আবার, অদৃশ্য শক্তিতে রহস্যময় পুনরায় নানা রংয়ের টোকেন মাধ্যমে চাঁদাবাজি শুরু করেন। দেখা গেছে, গেল ২৩ মে জুয়েল নামক এক শ্রমিক থেকে লাল রংয়ের টোকেনে দুই শত টাকা আদায় রশিদ এবং ইব্রাহিম আরেক জন শ্রমিক থেকে দুই শত টাকা চাঁদা নিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক পরিবহন শ্রমিক জানান, আগেই তো শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা দাবি করে চাঁদা নিয়েছিল এখন কিসের চাঁদা নেন প্রশ্ন সবার। এ বিষয়ে বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা নুরুল কবির বলেন ৫ ই আগস্টের পরে টোকেন ব্যানিজ্য সম্পূর্ন বন্ধ। আমি বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পারলাম যে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে লোহাগাডায় নাকি আওয়ামী লীগের এক দোসর দালাল ইউনিয়ন নাম ভাঙ্গিয়ে শ্রমিক মালিক থেকে চাঁদাবাজি শুরু করছেন। আমি সিন্ডিকেট চক্রকে পতিহত করে কঠোর হস্তে দমনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করছি। এবিষয়ে অভিযুক্ত মুসাকে একাধিক বার মোটে ফোনে চেষ্টা করে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।