লোহাগাড়া দরবেশ হাট ডিসি সড়ক খানাখন্দে বেহাল অবস্থা। | ছবি: দেলোয়ার হোসেন রশিদী
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার সদর থেকে পুটিবিলা ইউনিয়নের হাসনাভিটা ব্রিজ পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কজুড়ে রয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যাওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সড়কে চলাচলকারী রিকশা, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা মাইক্রোবাসেরসহ নানা ধরণের যাত্রীবাহী যানবাহন। খানাখন্দে পড়ে প্রতিনিত ঘটছে ছোট, বড় অসংখ্য দুর্ঘটনা। তাছাড়া রোগী, শিক্ষার্থী এবং নিয়মিত যাতায়াতকারীদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। সরেজমিন দেখা যায়, সড়কটির দরবেশহাট, হোসাইনা পাড়া, নেওয়াজের টেক, দরবার শরীফ, পুটিবিলা হাজির রাস্তা, এমচর হাট বাজার, কেওচিয়া জোড়া, , মাস্টারপাড়া টার্নিং, নতুন পাড়ার প্রাইমারি স্কুলের সামনে, গৌড়স্থান লাকী পাড়া, গৌড়স্থান নয়াবাজার, গজালিয়া দিঘির পাড়, মনিরের টেক ও হাসনা ভিটাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পিচ উঠে গেছে, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ইট-পাথর। এইসব জায়গায় যান চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভয়ে অনেক গাড়ি থেকে যাত্রী নেমে হেঁটে যাচ্ছে। বড় গর্তের কারণে যানবাহনগুলো খুব ধীরগতিতে চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক লড়ছে না। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত বালুভর্তি ট্রাক, গাছ, বাঁশবোঝাই গাড়ি চলাচল করে থাকে এবং রাস্তার ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি ওজনের মালামাল পরিবহনের কারণে সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যাপক। এ সড়ক দিয়ে প্রত্যেক দিন কয়েক হাজার মানুষ ব্যবহার করলেও স্থায়ীভাবে সংস্কার না করায় বর্ষা মৌসুমে সড়কের অবস্থা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। কলেজ শিক্ষার্থী শাহজালাল বলেন, সড়কটি সংষ্কারের কারণে দিন দিন বেহাল অবস্থা হয়ে যাচ্ছে। আমার বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার জন্য সময় লাগে ৩০ মিনিট আর বর্তমানে তা প্রায় ১ ঘন্টা পেরিয়ে যায়। তাছাড়া ভয় ভয়ে থাকতে হয় কখন সড়ক দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়। সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক মোঃ নাছির বলেন, রাস্তার বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও ভাঙ্গা থাকার কারণে গাড়ি চালাতে সমস্যা হয়। অনেক সময় গাড়ি গর্তের মধ্যে পড়ে দূূঘটনার পড়ে যায়, এতে আমার গাড়ি ও যাত্রীর ক্ষতি হয়ে যায়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রত এ রাস্তা সংষ্কার করে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উপযোগী করে দিবে এমনটাই প্রত্যাশা করি। উপজেলা প্রকৌশলী ইফরাত বিন মুনির বলেন, রাস্তাটি সংষ্কার করার পরিকল্পনা রয়েছে। অধিক খানাখন্দ জায়গাগুলোতে দ্রুত সংকার করা যায় সে ব্যবস্থা করছি। ঢাকা থেকে আমাদের একটি টিম আসবে এবং তাদের এ রাস্তাটি দেখানো হবে। উপজেলা এলজিইডি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠিয়ে দিয়েছি ও সংসদ সদস্য ডিও লেটার দিয়েছেন।