সন্দ্বীপে “এবিসি ব্রিকস” নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনভিত্তিক প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মো. রহিম উল্যা। তিনি উক্ত সংবাদের তথ্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
প্রতিবাদলিপিতে কাছিয়াপাড় নিবাসী মো. রহিম উল্যা উল্লেখ করেন, তিনি কখনোই “এবিসি ব্রিকফিল্ড”-এ কোনো ধরনের মূলধন বিনিয়োগ করেননি এবং ব্যক্তিগতভাবে প্রতিষ্ঠানটির অংশীদারও ছিলেন না। তিনি শুধুমাত্র একটি সমিতির তৎকালীন প্রতিনিধি হিসেবে সীমিতভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।
তিনি আরও জানান, উক্ত ব্রিকফিল্ডে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পরিচালনা পর্ষদ ছিল না; বরং কয়েকজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি পৃথকভাবে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করতেন। প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রম, উন্নয়ন, বিপণন বা আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।
ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত বিষয়ে রহিম উল্যা বলেন, ব্রিকফিল্ডের নামে পরিচালিত স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের কোনো হিসাবের তিনি সিগনেটরি ছিলেন না। হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষার জন্য পৃথক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি কখনোই এসব কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন না।
এছাড়া অংশীদারদের মধ্যে মতবিরোধের জেরে পূর্বে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন শালিস বা বৈঠকেও তার বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক দায় বা সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠেনি বলে উল্লেখ করেন তিনি। বরং তিনি নিজেই উক্ত ব্রিকফিল্ডের কাছে দাদন বাবদ প্রায় ২০ হাজার পিস ইট পাওনা রয়েছেন বলে দাবি করেন।
প্রতিবাদে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য অবিলম্বে সংশোধন ও প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন।