চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়নকাজ চলছে। মুছাপুর বদিউজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয় হয়ে মুছাপুর উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র, আলিমিয়ার বাজার, সেনের হাট থেকে গাছুয়া পর্যন্ত সড়কটি ১২ ফুট থেকে ১৮ ফুটে প্রশস্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির বিভিন্ন অংশে উন্নয়নকাজ এগিয়ে চলছে। এরই মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশের বেশি কাজ শেষ হয়েছে। তবে আলিমিয়ার বাজার, আবদুল বাতেন কলেজ এবং খাদেমুল মাদ্রাসা গেটের উত্তরের অংশে সড়কের ওপর বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই ঢালাইয়ের কাজ করা হয়েছে। ফলে সড়কের মাঝামাঝি ও একাংশে খুঁটি থাকায় যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি প্রশস্ত করার দাবি ছিল। উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ায় তারা আশাবাদী হলেও সড়কের ওপর বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখে ঢালাই করায় নতুন করে ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতে খুঁটিগুলো যানবাহনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এ বিষয়ে সন্দ্বীপ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম দেশের কথাকে বলেন, ‘সড়কটির কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বৈদ্যুতিক খুঁটি সরানোর জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। খুঁটি সরানোর জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে বিদ্যুতের খুঁটিগুলো অপসারণ করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। সন্দ্বীপ উপজেলা বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর হোসেন বলেন, ‘আমি বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করব। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ স্থানীয়দের দাবি, সড়কের ওপর থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো দ্রুত সরিয়ে নিরাপদভাবে সড়কের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা হোক। এতে একদিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে সম্ভাব্য দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে।