প্রকাশ :: ... | ... | ...

সীতাকুণ্ডে উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্ৰচাৱেৱ তীব্ৰ ক্ষোভ ও প্ৰতিবাদ


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: নাছির উদ্দীন শীবলু

সীতাকুণ্ডেৱ প্ৰতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও সুনামধন্য প্ৰকৌশলী মানবিক ব্যক্তিত্ব কামৱুদ্দৌজাকে নিয়ে বানোয়াট সংবাদ প্ৰকাশিত হওয়ায় সবত্র প্ৰতিবাদেৱ ঝড় উঠেছে। গত কয়েকদিন সোসাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনাৱ উঠে।তাৱই অংশ হিসেবে এক সাংবাদিক সম্মলনেৱ আয়োজন কৱেন সীতাকুণ্ড - মীরসরাই আর্কিটেক্ট এন্ড সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এসোসিয়েশন। এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মোঃ কামরুদ্দৌজা বলেন, দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর যাবৎ আমার প্রতিষ্ঠান স্থপতি ডিজাইন এন্ড কনসালট্যান্ট এর মাধ্যমে পেশাগত কর্মজীবন চালিয়ে যাচ্ছি। আমি একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পেশাগত জীবনে সীতাকুণ্ড উপজেলা, পৌরসভা ও মীরসরাই উপজেলা সহ চট্টগ্রাম শহরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ভবনের নকশা তৈরি ও অনুমোদনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কাজ করে আসছি। আমার গর্বিত পিতা ৬নং বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার এবংসীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালিন সদস্য ছিলেন। আমার জৈষ্ঠপুত্র মাহিন হাসান তম্ময় একজন বিএসসি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ও কনিষ্ঠপুত্র জোবায়ের হাসান তমাল সীতাকুণ্ডে ডিগ্রী কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী।মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে পেশাগত জীবন সুনামের সাথে অতিক্রম করলেও সম্প্রতি একটি মহল পরিচালনাধিন প্রতিষ্ঠানসহ আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। মহলটির অব্যাহত ষড়যন্ত্র অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করে আসছি। সম্প্রতি বদলী হয়ে সীতাকুণ্ডে পৌরসভায় যোগদান করেন নোয়াখালীর সেনবাগ পৌরসভার সাবেক নকশাকার গোলাম হায়দার মাসুম। চট্টগ্রাম-১ আসনের সাবেক এমপি ও মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন ও মীরসরাই পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন এর একান্ত সুপারিশে মীরসরাই পৌরসভায় নিয়োগ পাওয়া এই নকশাকার মাসুম সীতাকুণ্ড পৌরসভায় যোগদানেরর পরপরই আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকা মহলটি বেশ তৎপর হয়ে ওঠে। মহলটির ইন্ধন ও অর্থায়নে গত ১৭ জুন স্বাধীন বাংলা ও বীর চট্টগ্রাম মঞ্চসহ কতেক অনলাইনে “জাল সিল-স্বাক্ষরে ভবনের নকশা তৈরির অভিযোগ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী কামরুদ্দৌজার বিরুদ্ধে“ শিরোনামে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে। প্রকাশিত সংবাদে আমার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ায় আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকাশিত সংবাদগুলোতে ১০টি ফাইলের কথিত অনিয়মের উল্লেখ থাকলেও কোন ভবনের কত তারিখের নকশায় জাল স্বাক্ষর হয়েছে তার কোন বিবরণ কিংবা তথ্য প্রমাণ নেই। একজন প্রকৌশলী হিসেবে ১৯৯৬ সালের ভবন ও ইমারত নির্মাণ আইনের যাবতীয় নীতিমালা অনুস্মরণ করেই নকশা তৈরি সহ আবেদনকারীকে সাথে নিয়ে উপজেলা ও পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ফাইলটি অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করে আসছি। প্রস্তাবিত নির্মাণ কাজের নকশা পর্যালোচনা ও স্পটের তদন্ত প্রতিবেদন সহ সার্বিক কাজে কর্তৃপক্ষকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত। একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আমি ৪ তলা পর্যন্ত ইমারত নিমার্ণের অনুমোদন সংক্রান্ত ফাইলের কার্যাদি সম্পন্ন করতে পারি। ৫ম তলার অধিক উচূ ভবনের নকশা তৈরি ও অনুমোদন সংক্রান্ত ফাইলের কার্যাদি সম্পন্ন করতে আমার প্রতিষ্ঠানে এখতিয়ার সম্পন্ন অভিজ্ঞ প্রকৌশলী কর্মরত আছে। অথচ একটি মহলের প্ররোচনায় প্রকাশিত সংবাদে বিষয়টি বিবেচনায় না এনে ভিত্তিহীন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। যা খুবই দুঃজনক। অখ্যাত ফেইসবুক নির্ভর সংবাদ মাধ্যমগুলোতে প্রচারিত মনগড়া প্রতিবেদনে মীরসরাইয়ের একটি ফাইলের নকশার তৈরি সংক্রান্ত কার্যাদিতে একরামুল হক ও প্রকৌশলী মো. জাহিদ ভূঁইয়ার নাম উল্লেখ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি একরামুল হক এর দৃষ্টিগোচর হয়। এতে মুঠোফোনে তার বরাত দিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত কথিত স্বাক্ষর জাল করার বিষয়টি সম্পূর্ণ অসত্য বলে আমাকে জানান। যথাযথ নিয়ম-নীতির আলোকে প্রণীত এই সংক্রান্ত ফাইলটির অনুলিপি আমার জি-মেইলে এখনও সংরক্ষিত আছে। আর জাল স্বাক্ষরে নকশা কিংবা ডিজাইন তৈরির কাজ করলে মিডিয়ার এই যুগে বহু আগেই আমার প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত হয়ে যেতো। প্রতিষ্ঠান ও আমার বিরুদ্ধে মহলটির উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা অপপ্রচার অচিরেই বুমেরাং হবে ইনশাহ আল্লাহ। তিনি মহলটির অব্যাহত ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশনে সীতাকুণ্ডে কর্মরত সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকদের আন্তরিক সহায়তা কামনা করেন।