প্রকাশ :: ... | ... | ...

সীতাকুন্ডে অন্ধকারে স্বাস্থ্যসেবা


সংযুক্ত ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অন্ধকারে ডুবছে স্বাস্থ্যসেবা। দুইমাস যাবৎ হাসাতালের আলো নিভে যাওয়ায় স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে রোগীসহ কর্তৃপক্ষ। আলো পাওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়ায় স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এ নিয়ে জনমনে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, কুমির্ াইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগে পরিবর্তন আসায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অভ্যান্তরে অন্ধকার নেমে আসে। পুরাতন মিটারের পরিবর্তে কার্ড মিটার সংযোজনের পর স্বাস্থ্য সেবায় অন্ধকার নেমে আসে। অসহনীয় গরমের মধ্যে দায়ীত্ব পালনে হিমশিম খাচ্ছেন সেবক-সেবিকাদের। এ পরিস্থিতিতে সেবা প্রদান ব্যবহত হওয়ায় চিকিৎসা সেবায় দুভোর্গে পড়েছেন বলে জানান সেবা গ্রহিতারা। তারা বলেন,‘ গরম আবহাওয়ার মধ্যে হাসপাতলে অন্ধকার নেমে এসেছে। মিটারের খরচ ব্যায় জটিলতায় দুইমাস ধরে হাসপাতালে আলো নেই। অন্ধকারাচ্ছন্ন কক্ষে রোগ নির্নয় করা সম্ভব হচ্ছে না। দুঃসাধ্য। অধিক সময় ধরে টানা চিকিৎসা প্রদানে হাপিয়ে উঠছে কর্তব্যরত ডাক্তার। এতে চিকিৎসা সেবা ব্যহত হতে চলেছে। বিনা নোটিশে মিটার পরিবর্তনে রিচার্জ বিল পরিশোধে জটিলতা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে বিল পে করার এখতিয়ার না থাকায় বিল পেমেন্ট ছাড়া মিটার পড়ে রয়েছে। আলোর অভাবে চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব নয় বলেন কর্তব্যরত ডাক্তার মো.নাসিম হাসান। তিনি বলেন,‘ বিদ্যুৎ জটিলতায় যথাযথ চিকিৎসা প্রদান সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া অসহনীয় গরমে দায়ীত্ব পালন করা খুবই কঠিন। রোগী দেখার পর কিছুক্ষনের চেস্বার থেকে বের হলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে রোগীরা। সমস্যা সমাধানে কর্তৃপক্ষ জানানোর পরও সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। মিটার পরিবর্তন সম্পর্কিত সমস্যা সম্পর্কে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ হতে অবগত করা হলেও ব্যবস্থা অনিহা দেখাচ্ছে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরন বিভাগ। তবে বিদ্যুৎ সমস্যা সম্পর্কে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জেন ডা জাহাঙ্গির আলম বলেন,‘ সরকারী দপ্তরকে প্রিফেইড মিটারের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। পুরোনো মিটার বাসিয়ে দিতে বিদ্যুৎ বিতরন বিভাগের নিকট লিখিতভাবে জানানো হয়। খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে আশা করা যাচ্ছে।