প্রকাশ :: ... | ... | ...

সীতাকুন্ডে উন্নয়নে জেলা পরিষদ লুকোচুরি


সংযুক্ত ছবি

জেলা পরিষদ চট্টগ্রাম | ছবি: সংগ্রহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে গত দুই বছর জেলা পরিষদ বরাদ্ধের উন্নয়ন নেই। প্রতি বছর অর্থ বরাদ্ধ দেয়া হলেও গত দু-বছর উন্নয়নে শূন্যতা বিরাজ করছে। খাতা-কলমে বরাদ্ধ সীমাবদ্ধ থাকায় উন্নয়নখাতে শূন্যতা বিরাজ করছে। উন্নয়নে হরিলুট চালাতে উন্নয়ন কর্মকান্ড সংশ্লিষ্টদের মাঝে কক্ষিগত করে রাখার অভিযোগ রয়েছে। বরাদ্ধে বিপরীতে উপজেলা সমূহের অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখে জেলা পরিষদ। চাহিদার অনুপাতে এলাকা ভিত্তিক উন্নয়ন বরাদ্ধ প্রদান করা হয়। স্থানীয়ভাবে জনপ্রতিনিধি বা ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকান্ড চলে। এ অবস্থায় গত দুই বছওে বরাদ্ধ না পাওয়ায় উন্নয়ন কর্মকান্ড একেবারে থমকে যায়। অর্থে যোগানে না থাকার অজুহাত দেখিয়ে গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নকে বাঁধাগ্রস্ত করা হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। স্থানীয়রা বলেন,‘ উন্নয়ন বরাদ্ধে আবেদন করতে গেলে অর্থে যোগ না থাকার অযুহাত দেখায়। জমাকৃত দরখাস্ত ফাইল বন্ধি পড়ে থাকে বছরের পর বছর ধরে। অথচ পছন্দ মতো বরাদ্ধ দিয়ে অর্থ আতœসাতের কৌশল অবলম্বনের আশ্রয় নেয়া হচ্ছে বলে জানান তারা। জেলা পরিষদের বরাদ্ধের পেতে প্রতিদিন বিভিন্ন শিক্ষা,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সামাজিক-সাংস্কৃতি হতে প্রায় অর্ধশত দরখাস্ত জমা পড়ে থাকে জেলা পরিষদের ডেক্সে। বছরের পর বছর দরখাস্ত পড়ে থাকলেও বরাদ্ধেও কুলকানারা পাওয়া যায় না। পছন্দনীয় ব্যাক্তিদের সাথে যোগসাজশ করে বরাদ্ধে দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে জেলা পরিষদ হতে অর্থ জমা না থাকার অজুহাত দেখানো হলেও চলমান কাজ সম্পর্কে কিছুই বলতে নারাজ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী চৌধুরী রৌশন জামান।