প্রকাশ :: ... | ... | ...

সীতাকুন্ডে ফাইল অনুমোদনে লাগে নিয়মবহির্ভূত ফি


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: নাছির উদ্দীন শীবলু

সীতাকুন্ডে স্বাস্থ্য,শিক্ষা, সাংস্কৃতি, পয়নিস্কাশন, বর্জ ব্যবস্থাপনাসহ নাগরিক সেবা প্রদানে প্রতি বছর কয়েক কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা করে পৌরসভা। রাজস্ব, এডিবি ও বিশ্বব্যাংকের অর্থে ঘোষিত প্রস্তাবিত বাজেট উন্নয়ন কমিটিতে অনুমোদন প্রাপ্ত হয়ে বাস্তয়িত হয়। এ সময় বাজেটের বরাদ্ধের এক তৃতীয়াংশ অবকাঠামোগত কাজে বরাদ্ধ দেয়। অথচ বিশাল অংকের বরাদ্ধ হলেও বছর গড়াতে অস্তিত্ব হারায় অধিকাংশ স্থাপনা। অর্থের বিনিময়ে উন্নয়ন কমিটি অনমোদন দিলেও তদারকি না থাকায় স্থাপিত স্থাপনা অল্প সময়ে পুরোনো রুপে ফিরে যায়। ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর যোগসাঁজশে নির্মান কাজে ওয়ার্ক অডার লঙ্ঘিত হওয়ায় নবনির্মিত স্থাপনা পুরোনো রুপ ফিরে। এতে বাজেট উন্নয়নে শত কোটি টাকা বরাদ্ধ হলেও নাগরিক সেবা পাচ্ছে না নাগরিকরা। ১৯৯৮ সালে ইউনিয়ন পরিষদ পৌরসভা ঘোষিত হওয়ায় নাগরিক সেবা বৃদ্ধিতে নানা পদক্ষেপ হাতে নেয়। মেয়র বা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন কমিটি অনুমোদনে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে স্ব-স্ব দপ্তর। এছাড়া নাগরিকের ব্যাক্তিগত স্থাপনা গড়ার ক্ষেত্রেও উন্নয়ন কমিটির অনুমোদন প্রাপ্ত হতে হবে। আবেদনের প্রেক্ষিতে অনুমোদন হলে স্থাপনা নির্মানের সুযোগ পায়। আর নকশা অনুমোদন পেতে হলে উন্নয়ন কমিটির সভা ফি ১০- ২০ হাজার জমা দিলে নকশা অনুমোদন প্রাপ্ত হয় বলে জানান প্রকৌশলী মো. মাসুম। তিনি বলেন, ব্যাক্তিগত নালা,ড্রেন,দালান, বাড়ির চারপাশের দেয়ার নির্মান করতে প্রকৌশলী দপ্তরের অনুমোদন লাগবে। আবেদনে জমাকৃত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উন্নয়ন কমিটির মাসিক সভায় অনুমোদন প্রাপ্ত হয়। আবেদনকারীরা ফাইল প্রতি ১৫-২০ হাজার টাকার অধিক অফিস নির্ধারীত ফি জমা না দিলে ফাইল অনুমোদন হয় না। নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে ক্যাম মোমো বর্হিবূত অফিস ফি নেয়া হয়। এ বিষয়ে পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী নু রনবী বলেন,‘ ১৫ সদস্যর উন্নয়ন কমিটির সম্মতিক্রমে ফাইল অনুমোদন দেয়া হয়। তাই সন্মানীত সদস্যদের সন্মানী হিসেবে আবেদনকারীদের উপর ‘ফি’ ধার্য করা হয়েছে। স্থাপনা নির্মানকারী সবাইকে ফি’র আওতায় আসতে হবে বলে জানান তিনি।