প্রকাশ :: ... | ... | ...

সীতাকুন্ডে বসত বাড়ি মাদক ও জুয়ার নিরাপদ আস্তানা  


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: সংগ্রহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে মদক ও জুয়ার ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। মাদক ও জুয়াড়ীর কোছে নিরাপদ আস্তানা হয়েছে বসত বাড়ি। মাদক বেচাকেনায় বসত বাড়িকে ঘিরে আস্তানা গড়েছে জুয়াড়ি ও মাদক ব্যবসায়ীরা। প্রতিটি এলাকায় চায়ের দোকানের পাশে বসত বাড়ি বা ভাড়া ঘরের কক্ষ ব্যবসার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে। লোকচক্ষু ও প্রশাসানের চোখ ফাঁকি দিতে কৌশল হিসেবে বসত বাড়ি বা ভাড়া ঘরের কক্ষ ব্যবহার করা হচ্ছে। আর নিরাপদ আস্তানা হিসেবে দিন-রাত চলছে জুয়া ও মাদকের রমমরা বানিজ্য। গ্রাম-গঞ্জের সর্বত্র মাদক ও জুয়ার আসর ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করায় ঝুঁকির মূখে পড়েছে আইন শৃংখলা ও সামাজিক শৃংখলা। এ পরিস্থিতিতে সামাজিক বিশৃংখলা, চুরি ও ডাকাতি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়া জানমালের নিরাপত্তা হুমকিতে পড়েছে। প্রতিনিয়ত চোরের উৎপাতের কারনে শ্লীলতাহানিসহ অর্থ সম্পদ খুয়াতে হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দরা বলেন,‘ সন্ধ্যার পর হতে পাড়া-মহল্লা ও বাসা বাড়ির অলিগলিতে মাদক ব্যবাসয়ী, মাদক সেবী ও জুয়াড়িদের উৎপাত শুরু হয়। জুয়াড়ি ও মাদক আনাগোনায় পথে ঘাটে চলাচল ঝুঁকিপূর্ন হয়ে উঠেছে। অর্থের যোগানে জুয়াড়ি ও মাদকসেবীরা চুরি- ডাকাতির পথ বেছে নিয়েছে। ফলে বসত ঘরের তালা বা দরজা কেটে ঘরের মালা চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। সংঘবদ্ধ মাদকসেবী ও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেছে প্রানের ঝুঁকিতে পড়তে হয় বলে জানান তারা। মাদকের অর্থ যোগানে বিভিন্ন এলাকায় চুরি ও ডাকাতির ঘটনা ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে। গনহারে চুরির ঘটনায় সর্বস্ব হারিয়েছে বহু পরিবার। চলতি বছরে মাদক সেবীদের চুরিকাঘাতে মিরেরহাট বাজারের শারীরিক প্রতিবন্ধি এক যুবককে অকালে প্রান দিতে হয়েছে। এছাড়া পৌরসভার লাঠিয়াল পাড়াসহ একাধিক ঘরে তালা ভেঙে নগদ অর্থ ও স্বর্ণলংকার লুট করেছে চোরের দল। গত ৩ জুন বাড়বকুন্ড জেলে পাড়ায় তিন ঘরে হানা চুরির সময় জেলে পতিœকে ধর্ষনে চেষ্টার ঘটনা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভাটিয়ারী গোয়ালী দুধ ফ্যাক্টরী সংলগ্ন এলাকায় জন সম্মুখে বসা জুয়ার আসর আলোচিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।এমতবস্থায় নামার বাজারের আমিরাবাদ ভাড়া বাসায় গড়ে উঠা মাদকের আস্তানা ভীতি সন্ত্রাস্ত স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া বাসায় নিরাপদে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে মুরাদপুরের গোলাবাড়ি গ্রামের স্বীকৃত প্রতারক ও মাদক কারবারি আলমগীর। মাদক ব্যবসা সম্পর্কে অবগত হয়েও ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না এম এ ম্যানসন নামের বাড়ির মালিক মাহবুব আলম। যা রীতিমত এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়ে উঠেছে। মাদক নিয়ন্ত্রানে অভিযান অব্যাহত থাকায় একাধিক ঘটনায় মাদকসেবী ও জুয়াড়িকে জেল-জরিমানার আওতায় আনা হয় । ১১ জুলাই পৌরসভার ইদিলপুর গ্রামে তিন মাকদসেবীকে জেল জরিমানাসহ জেলে প্রেরন করে ভ্রাম্যমান আদালত। গত একমাসে একাধিক মাদক সেবী ও জুয়াড়ী আইনের এসেছে জানান প্রশাসন। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক আবদুর রশিদ বলেন,‘ মাদক নিয়ন্ত্রনে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিভিন্ন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সকলে সচেতন হলে মাদক নির্মূল সম্ভব বলে জানান তিনি।