শিরোনামঃ

বেতন-বোনাসের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

নিজস্ব প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

ঈদুল আজহার আগে বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত ‘চৈতী গার্মেন্টস’-এর শত শত শ্রমিক। মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোর থেকে সোনারগাঁয়ের চেপরদী এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করায় এই রুটে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো হাজার হাজার যাত্রী ও সাধারণ মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা জানান, মাসের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ চলতি মাসের বেতন পরিশোধ করেনি। সেই সাথে বাধ্যতামূলক ঈদ বোনাস না পাওয়ায় তারা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। ভোরে কারখানা থেকে মিছিল নিয়ে বেরিয়ে এসে শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নেন। তাদের দাবি, যতক্ষণ পর্যন্ত পাওনা টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক। হঠাৎ এই অবরোধের ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তীব্র গরমে আটকা পড়া যানবাহনের যাত্রী, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্করা চরম বিপাকে পড়েছেন। অনেক যাত্রী গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার খবর পেয়ে সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। শ্রমিকদের শান্ত করতে এবং মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সাথে জরুরি আলোচনায় বসেন।

​এ বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিক নেতাদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা চলছে। তবে শ্রমিকরা তাদের দাবি পূরণের সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত সড়ক থেকে না সরার অবস্থানে অনড় রয়েছেন।

​শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

​এই পরিস্থিতিতে পরবর্তী কোনো আপডেট বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোনো বিশেষ পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী কি?

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL