বৃহস্পতিবার (৭ মে)২০২৬ খ্রী: নাইক্ষ্যংছড়ির সাদামনের মানুষ সবার আন্তরিকতা ভূলার নয়। বিশেষ করে এখানকার পাহাড়ি সৌন্দর্য অপরূপ। এই পাহাড়ি জনপদে পাহাড়ি-বাঙ্গালীর মাঝে যে সম্প্রীতি-সৌহার্দ্য অতুলনীয়। এভাবে অপকটে বেশ কথা বলেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিদায়ী নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি
সম্প্রতি বদলী হয়েছেন বাংলাদেশ সচিবালয়ে।
তিনি বৃহস্পতিবার ( ৭ মে) তার কার্যালয়ে শেষ কর্মদিবসের শেষাংশে এ সব কথা বলেন নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের সিনিয়র ক'জন সাংবাদিক ও কর্মরত সাংবাদিকদের কাছে।
ইউএনও মাজহার আরো বলেন,তিনি ২০২৪ সালের অক্টোবরে নাইক্ষ্যংছড়িতে যোগদান করেন। তিনি উপজেলার সর্বস্থরের মানুষে সমস্যা উদঘাটন করেন।
কাজে হাত দেন।
শিক্ষা,যোগাযোগ,চোরাচালান,পর্যটন,
কৃষি,যুবকল্যাণ,পরিবেশ ও অন্যান্য সব খাতে তিনি হাত দেন-কাজ করেন।
সৌন্দর্য পিয়াসী এ কর্মকর্তা পাহাড়ের সুন্দরকে আরো আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে বান্দরবান জেলার সর্বদক্ষিণের একমাত্র পর্যটন স্পট নাইক্ষ্যংছড়ি উপবন পর্যটন লেকে ' "ক্যাবল কার " নির্মান করতে পরিকল্পনা হাতে নেন। সময়ে অপ্রতুলতার কারণে করা হয় নি। অথচ জেলা প্রশাসক থেকে প্রাথমিকভাবে অনুমোদনও নিয়েছিলেন দাবী তার।
এছাড়া জেলা প্রশাসকের নির্দেশ মতে জনস্বার্থ রক্ষায় জমি-জমা সংক্রান্ত নানাবিদ সমস্যা সমাধার করেছেন তিনি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রাণান্ত চেষ্ঠা করেছেন একই সাথে।
সব মিলে তিনি নাইক্ষ্যংছড়ির উন্নয়নে কাজ করতে গিয়ে দলমত,গোত্র,বর্ণ বা গণমাধ্যমের সব ধরণের সহায়তা পেযেছেন বলে দাবী করেন তিনি। এ জন্যে তিনি সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে কার্পণতা করেন নি।
শেষে তিনি একানখার সবার কাছে দোয়া কামনা করছেন।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিদায়ের পর অনেকে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। আবার অনেক ফুলেল শুভেচ্ছাও জানান।