শিরোনামঃ

মহেশখালীর পাহাড়ের তান্ডবে বিট কার্যালয়; প্রাণে বাঁচল এফজি

এমকে হামিদ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি: এমকে হামিদ
ছবি: এমকে হামিদ

‎আষঢ়ে বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড মহেশখালী। পাহাড়ের তান্ডবে জনতা বাজার বিট কার্যালয়; প্রাণে বাঁচল এফজি হেলাল। 

‎৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) গতস্থ রাত ৪ ঘটিকার সময় কক্সবাজার মহেশখালী উপজেলার প্রবেশদ্বার কালারমারছড়া চালিয়াতলীস্থ জনতা বাজার বিট কার্যালয়ের লাগোয়া পশ্চিম পার্শ্বের পাহাড়টি আচমকা ধসে পড়ে। স্থায়ী বিল্ডিং এর দেওয়া ভেঙ্গে কক্ষে গাছসহ মাটি চাপা পড়ে। ওইসময় ঘুমান্ত অবস্থায় আটকে পড়ে ফরেস্ট গার্ড মোঃ হেলাল উদ্দীন। দূর্ঘটনার বিষয়টি তাৎক্ষণিক কালারমারছড়া বিট কর্মকর্তাকে জানালে তিনি দলবল নিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত হেলাল মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়লে কোন ধরণে জখম হয়নি বলে জানান তিনি। প্রতিবেদক কে আরো জানান এমন দূর্ঘটনার হবে তা কল্পনা বাইরে পাহাড় এভাবে ধসে পড়ার কথা না। দুরত্ব যেমন রয়েছে, তেমনি ভবণটি টেকসই ও গেল কয়েক বছর পূর্বে অর্থাৎ ৪ বছর আগে নির্মাণ হয়েছে। তারপরও মহান রবের নিকট হাজারো শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি। কিন্তু মাটি চাপায় অফিসিয়াল ও ব্যক্তিগত অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র আটকা পড়েছে। সবমিলে ক্ষয়ক্ষতিও প্রায় লাখ টাকা ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও পৃথক পৃথক দূর্ঘটনায় একাধিক বাড়ীঘর পাহাড়ি মাটি চাপা পড়ে বিধ্বস্ত হয়। এতে ৩ জন গুরুতর আহতসহ ১১ জন আহত হন। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলি ক্ষয়ক্ষতি কয়েক লক্ষ টাকা। 

‎সকাল হলে কার্যালয়ের বিধ্বস্ত কক্ষটি দেখতে জনসাধারণ লাইন ধরে। তারা তা দেখে আচার্য হয়ে বলে রাখে আল্লাহ, মারে কে। সবই মহান আল্লাহ লীলাখেলা।

‎এদিকে কালারমারছড়া বিট কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, বিধ্বস্ত কার্যালয়ের অবস্থানরত সহকর্মী ফোন দিয়ে জানালে চোখে মুখে পথ না দেখেও বেরিয়ে পড়ি। ১৫-২০মিনিটে পৌঁছে উদ্ধার করি। এদিকে তিনি প্রাণে বাঁচলে ভবণে একটি কক্ষের দেওয়াল ভেঙ্গে প্রচুর ক্ষতির সম্মূখীনে পড়ে বনবিভাগ। এতে পুরো ভবণটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ।

‎মহেশখালী উপজেলা রেঞ্জার (ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির জানান, বিষয় খুব আচার্য জনক। সকালে ভবণটি পরিদর্শন করি। এতে ক্ষয়ক্ষতিও ৩লক্ষ টাকা ধারণা করা যায়। বিষয়টি উর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL