শিরোনামঃ

সড়কস্থ মাটি বিক্রি গর্তের ঝুঁকিতে আশি হাজার বসতি

মোহাম্মদ কাইছার হামিদ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

মহেশখালীর কোহেলিয়া নদীর ওপর মাতারবাড়ী রক্ষার বেড়িবাঁধ সংবলিত দৃষ্টিনন্দন সড়কস্থ লাগোয়া বিএনপি নেতার নেতৃত্বে মাটি বিক্রিতে কৃত্রিম গর্তের ঝুঁকিতে আশি হাজার বসতি। এতে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে সরকার।

‎অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার প্রাচীণতম কোহেলিয়া নদী ওপর মাতারবাড়ী রক্ষার দক্ষিণ রাজঘাট বেড়িবাঁধ সংবলিত দৃষ্টিনন্দন সড়কস্থ লাগোয়া বিএনপি নেতা মাসুমের নেতৃত্বে মাটি বিক্রিতে মানবসৃষ্ট কৃত্রিম গর্তের প্রকোপে যে কোনো মুহুর্তে ৫০টি বিদ্যুৎতের খুঁটি উপড়ে পড়া এবং বাঁধটি ধ্বসে মাতারাড়ীর প্রায় ৮০ হাজার বসতি কৃত্রিম দূর্যোগের মুখোমুখি হওয়ার শঙ্কায় ভোগছেন। মানবসৃষ্ট গর্ত যেন বাঁধের পূর্বে কোহেলিয়া নদী থেকেও গভীর। ভাঙলে পুরো এলাকা প্লাবিত, যাতায়তের ব্যাঘাত ঘটা এবং ভয়াবহ বিদ্যুৎএর বিপর্যয় ঘটে মাতারবাড়ী তথা জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে জনসাধারণ জনদূর্ভোগে পড়ার শঙ্কায় থাকলেও ভয়ে মুখ খুলেনা কেউ। অভিযুক্ত প্রতাপশালী সিন্ডিকেটের বেলায় নিরব ভূমিকায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। সেসুবাদে প্রচুর অর্থসম্পদের মালিক হয়েছেন সিন্ডিকেট প্রধান ও বিএনপি নেতা মাসুম নামক ব্যক্তি। এতে সরকারও বঞ্চিত হচ্ছে প্রচুর রাজস্ব হতে। এনিয়ে চা-দোকানের টেবিল কেন্দ্রিক থেকে সর্বস্তরের জনসাধরণ ছাড়াও জরুরী কার্যাদি নিয়ে আসা আগত বিভিন্ন পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে অবৈধভাবে মাটি বিক্রি করে কৃত্রিম গর্ত সৃষ্টিকারী সিন্ডিকেট প্রধান এবং বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হোছাইন মাসুমকে নিয়ে। স্থানীয়রা জানান, ক্ষমতার অপব্যবহার করে দাপট কাটিয়ে এতদাঞ্চলকে ঝুঁকিতে ফেলে প্রচুর অর্থ প্রাচুর্য কামিয়েছে সিন্ডিকেট প্রধান মাসুম। এলাকাবাসীতো দূরের কথা প্রশসনকে ভুলভাল বুঝিয়ে মাটি বিক্রি করে অবৈধপন্থায় আয় করে শঙ্কিত অবস্থায় মাতারবাড়ী আশি হাজার বসতি ছাড়াও আগত বিভিন্ন পেশার মানুষ। ভিত্তশালী মাসুমের অর্থের বাহাদুরিতে প্রতিবেশিরাও হতাশ। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না করলেও কৌশলে উঠান বৈঠকসহ প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। এতে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- যে ব্যক্তি প্রভাব কাটিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বেড়িবাঁধস্থ জায়গা থেকে মাটি বিক্রি করে ইউনিয়নবাসীদের বিপদে ফেলেন। তিনিই কিভাবে ইউনিয়নে নির্বাচন করতে পারে! এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারণ মানুষের মাথায়। এ যেন মনুষ্যত্বহীন মানুষ। যেমন খাল কেটে কুমির প্রবেশের পথ তৈরি করা। সুচিন্তক ও ইউনিয়নবাসীদের ভাষ্য মাতারবাড়ী মানুষের কপালে কুড়াল মারার উপক্রম। তারা বিভিন্ন অপকর্মের হোতা প্রতাপশালী সিন্ডিকেট প্রধান অর্থ সম্পদের মালিক বনে যাওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথভাবে তদন্ত করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন। 
‎এদিকে মাতারবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ও আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হায়দার এর সাথে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি দায়ছাড়া কথা বলে কৌশলে এগিয়ে যান এবং বিষয়টি ইউএনও মহোদয়ও জানতে চেয়েছিলো বলে জানান। এমনকি এক কিলোমিটারের ভিতর এহেন কান্ডে তিনি যেন কিছুই জানেনা। 
‎পল্লীবিদ্যুৎ মহেশখালী জোনালের ডিজিএম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটির কারণে বিপর্যয় হতে পারে।

‎মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম জানান- বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবর। 

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL