রামুতে ১২ঘন্টার ব্যাবধানে দু'টি হত্যাকান্ডের ঘটনায় চরম উদ্বিগ্ন ও উৎকন্ঠিত রয়েছে মানুষ। ১২এপ্রিল সন্ধ্যায় রামুর সদর ইউনিয়ন ফতেখকঁরকুল ৭নং ওয়ার্ডের শ্রীধন পাড়ায় সাধন বড়ুয়ার বাড়ি থেকে পুলিশ ঝুলন্ত উপজাতী কিশোরী সনিত্যা চাকমার লাশ উদ্ধার করে। উদ্ধ্যার হওয়া কিশোরীর বাড়ি উখিয়ার ফালংখালীর তেল খোলার ক্যাউ সিং চাকমার মেয়ে। সে সাধনের বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে থাকতো বলে জানা যায়।
ভোর ৪টায় একই ইউনিয়নের ৬নাম্বার ওয়ার্ডের পূর্ব মেরংলোয়া গ্রামেের প্রবাসী অসিম বড়ুয়ার পিতা কালু বড়ুয়াকে প্রকাশ্যে জবাই করে হত্যা করা হয়।
ঘটনায় জড়িত একই এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত টাম্বু বড়ুয়া প্রকাশ (টাবু) কে পুলিশ গ্রেফতার করলেও কিশোরীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রয়ে গেছে নানা রহস্য।
কিশোরীর পরিবারের দাবী তাকে হত্যা করা হয়েছে। চৈত্র সংক্রান্তির এই দিনে রামুর সদর ইউনিয়ন ফতেখাঁকুলে দুটি হত্যাকান্ডের ঘটনা সংঘটিত হওয়ায় বড়ুয়া সম্প্রদায়ের মাঝে চরম উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।
এব্যাপারে বড়ুয়া সম্প্রদায়ের ব্যাবসায়ী চম্পক বড়ুয়া জুয়েল ও উপজেলা বিএনপি নেতা মিথুন বড়ুয়া বলেন, এই দিনটা রামুর বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মাঝে অতি উৎসবের। মর্মান্তিক দুটি ঘটনা রামুর বড়ুয়া সমাজকে চরম ভাবে হতাশ করেছে। তারা দোষী ব্যাক্তিদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করেন।
এই ঘটনা বাংলা নতুন বছরের শুরুতে বড়ুয়া সম্প্রদায়ের মাঝে আনন্দ উদ্দীপনাকে অনেকটা ম্লান করে দিয়েছে। ভাবিয়ে তুলছে সচেতন মহল ও এলাকার বিভিন্ন সম্প্রদায়কে।
ঘটনার পরপর রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে।
সচেতন মহলের দাবী দুই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন পুর্বক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসন ব্যার্থ হলে আইন শৃংখলা অবনতির ক্ষেত্রে ভয়াবহতা দেখা দেবে।