কক্সবাজারের রামু উপজেলা-র দুর্গম জনপদ কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন-এর শুম্মনিয়া এলাকার বাসিন্দা হাফেজ আহমেদের ছেলে আরকান উল্লাহ। সহজ-সরল এই তরুণকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পরিকল্পনা করে একটি মানবপাচারকারী চক্র। অভিযোগ রয়েছে, পরে টেকনাফ উপজেলার সোনাপাড়া এলাকায় তাকে আরেকটি মানবপাচারকারী চক্রের কাছে বিক্রি করা হয়। ওই চক্রের সদস্য আব্দুল করিম কালু বিদেশে পাঠানোর আশ্বাস দেন।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার আব্দুল করিম কালুর মাধ্যমে আরকান উল্লাহর পরিচয় হয় সীমান্তবর্তী টেকনাফের কথিত শীর্ষ মানবপাচারকারী সাকের মাঝির সঙ্গে। পরে চক্রটি আরকানের পরিবারের কাছ থেকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে প্রায় ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা দাবি করে।
পরিবারের অভিযোগ, প্রায় চার মাস পার হলেও এখনো আরকান উল্লাহর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ সন্তানের অপেক্ষায় দিন কাটছে মা জানু বেগমের।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানু বেগম বলেন,
“মানবপাচারকারী আব্দুল করিম কালু আমার ছেলেকে ভুল বুঝিয়ে নিয়ে গেছে। পরে তাকে টেকনাফের পাচারকারী চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে আর ফিরে আসেনি আমার সন্তান। সে আমার একমাত্র ছেলে। তাকে ছাড়া এই দুনিয়ায় আমার আর কেউ নেই। আমি সরকারের কাছে আমার সন্তানকে ফিরিয়ে দেওয়ার আকুল আবেদন জানাই।”
পরিবার সূত্রে আরও জানা যায়, গত ৫ রমজান, অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি, পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন নিয়ে বাড়ি ছাড়েন আরকান উল্লাহ। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান মেলেনি। দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে অসহায় হয়ে পড়েছে পরিবারটি।
অন্যদিকে স্থানীয়দের দাবি, টেকনাফের কথিত শীর্ষ মানবপাচারকারী সাকের মাঝি দীর্ঘদিন ধরে সাগরপথে মানুষ পাচারের সঙ্গ�