উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণের কারণে প্রতি বছর চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী নদীতে ভাঙন তাণ্ডব শুরু হয়। এতে পাহাড়ি ঢলের প্রচন্ড পানির ধাক্কায় মাতামুহুরী নদীর বিএমচর ইউনিয়নের বেতুয়া বাজার পয়েন্ট, কুরিল্যারকুম, কন্যারকুম, কোনাখালী ইউনিয়নের পরিষদ পয়েন্ট, সিকদার পাড়া রাস্তার মাথা পয়েন্ট ও কাইদ্যারদিয়াসহ একাধিক পয়েন্ট অধিকতর ঝুকিঁপুর্ণ হওয়ায় মসজিদ, মানুষের বসতি, বেড়িবাঁধ, চলাচল রাস্তাসহ নদীতে বিলীন হবার উপক্রম হয়ে উঠেছে।
এই অবস্থায় মাতামুহুরী নদীর ভাঙন থেকে বিএমচর ইউনিয়ন ও কোনাখালী ইউনিয়নকে রক্ষার নিমিত্তে টেকসই বেড়িবাঁধ, সিসি ব্লক স্থাপনের দাবি জানিয়ে কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপি বরাবর লিখিত আবেদন করেন মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোয়াইবুল ইসলাম সবুজ ও কোনাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মো: ইউনুছ।
এলাকার জনগুরুত্বপূর্ণ লিখিত আবেদনখানা দুটির প্রেক্ষিতে ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনায় মাতামুহুরী নদীর ভাঙন তান্ডব থেকে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার বিএমচর এবং কোনাখালী ইউনিয়নকে রক্ষার নিমিত্তে টেকসই বেড়িবাঁধ, সিসি ব্লক স্থাপনের প্রকল্প তৈরী করতে ও অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙন পয়েন্টসমূহ আজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম পান্না ও নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের একটি টিম।
নদীর ভাঙন পয়েন্ট এলাকা পরিদর্শনকালে এসময় নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে ছিলেন মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোয়াইবুল ইসলাম সবুজ, বিএমচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার রোকন উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাস্টার ইব্রাহিম খলিল, বিএমচর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেযারম্যান-১ মো: ইসমাইল মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল উদ্দিন, কোনাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবুল কালাম ও সদস্য সচিব মো: ইউনুছসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা।
নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম পান্না বলেন- খুব দ্রুত সময়ে মধ্যে প্রকল্প তৈরি এবং কাজের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পত্র প্রেরণ করা হবে। যাতে খুব শিঘ্রই বর্ষার পাহাড়ি ঢলের ভাঙ্গনের কবল থেকে সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়।