কক্সবাজারের রামুতে বাঁকখালী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া স্কুলছাত্র মো. শাহীন (১৫)-এর মরদেহ প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীর পানির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মো. শাহীন রামুর রাজারকুল ইউনিয়নের সিকদারপাড়া এলাকার প্রবাসী নুরুল আমিনের ছেলে। সে স্থানীয় মনসুর আলী সিকদার আইডিয়্যাল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকেলে সিকদারপাড়া এলাকার বাদামতলী মাঠে কয়েকজন বন্ধু মিলে ফুটবল খেলছিল শাহীন।
খেলা শেষে শাহীনসহ কয়েকজন বন্ধু পাশের বাঁকখালী নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে দুইজন পানিতে তলিয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতির শিকার হলে একজন উঠে আসতে সক্ষম হয়। তবে শাহীন পানির গভীরে তলিয়ে যায়।
এরপর স্থানীয়রা নদীতে নেমে বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। খবর পেয়ে রামু ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
রামু ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি ম্যান ফরিদ জানান, বিকেলে ৫-৬ জন বন্ধু ফুটবল খেলা শেষে নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় সাঁতার না জানা কিশোর শাহীন নদীর গভীরে তলিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত পর্যন্ত অভিযান চালান। পরে চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দল এসে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ তল্লাশির পর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নদী থেকে শাহীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আমিন বলেন, ফুটবল খেলা শেষে কয়েকজন বন্ধু নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে শাহীন পানির নিচে তলিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা অনেক চেষ্টা করেও তাকে খুঁজে পাননি।
রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান বলেন, স্থানীয়রা দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধান না পাওয়ায় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরে চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দল এসে নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে সকালে মরদেহ উদ্ধার করে।
রামু থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিমল কান্তি জানান, ঘটনার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়। চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দল এসে তল্লাশি চালানোর পর বৃহস্পতিবার সকালে সাড়ে ৭টার দিকে শাহীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যটননগরী ও নদীবেষ্টিত জেলা কক্সবাজারে ফায়ার সার্ভিসের নিজস্ব ডুবুরি দল না থাকায় পানিতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এতে উদ্ধার কার্যক্রমে সময়ক্ষেপণ হচ্ছে। শাহীনের ক্ষেত্রেও খবর পাওয়ার পর চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দল আসার পর নদীতে পূর্ণাঙ্গভাবে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।
সংবাদ প্রেরকঃ আবুল কাশেম,রামু।
মোবাইলঃ ০১৮১৬-০০৮৭৭৬.
আবুল কাশেম,রামু
কক্সবাজারের রামুতে বাঁকখালী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া স্কুলছাত্র মো. শাহীন (১৫)-এর মরদেহ প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীর পানির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মো. শাহীন রামুর রাজারকুল ইউনিয়নের সিকদারপাড়া এলাকার প্রবাসী নুরুল আমিনের ছেলে। সে স্থানীয় মনসুর আলী সিকদার আইডিয়্যাল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকেলে সিকদারপাড়া এলাকার বাদামতলী মাঠে কয়েকজন বন্ধু মিলে ফুটবল খেলছিল শাহীন।
খেলা শেষে শাহীনসহ কয়েকজন বন্ধু পাশের বাঁকখালী নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে দুইজন পানিতে তলিয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতির শিকার হলে একজন উঠে আসতে সক্ষম হয়। তবে শাহীন পানির গভীরে তলিয়ে যায়।
এরপর স্থানীয়রা নদীতে নেমে বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। খবর পেয়ে রামু ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
রামু ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি ম্যান ফরিদ জানান, বিকেলে ৫-৬ জন বন্ধু ফুটবল খেলা শেষে নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় সাঁতার না জানা কিশোর শাহীন নদীর গভীরে তলিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত পর্যন্ত অভিযান চালান। পরে চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দল এসে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ তল্লাশির পর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নদী থেকে শাহীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আমিন বলেন, ফুটবল খেলা শেষে কয়েকজন বন্ধু নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে শাহীন পানির নিচে তলিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা অনেক চেষ্টা করেও তাকে খুঁজে পাননি।
রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান বলেন, স্থানীয়রা দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধান না পাওয়ায় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরে চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দল এসে নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে সকালে মরদেহ উদ্ধার করে।
রামু থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিমল কান্তি জানান, ঘটনার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়। চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দল এসে তল্লাশি চালানোর পর বৃহস্পতিবার সকালে সাড়ে ৭টার দিকে শাহীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যটননগরী ও নদীবেষ্টিত জেলা কক্সবাজারে ফায়ার সার্ভিসের নিজস্ব ডুবুরি দল না থাকায় পানিতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এতে উদ্ধার কার্যক্রমে সময়ক্ষেপণ হচ্ছে। শাহীনের ক্ষেত্রেও খবর পাওয়ার পর চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দল আসার পর নদীতে পূর্ণাঙ্গভাবে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।