সারাদেশের ন্যায় ক্ষুধে খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করতে রামুতে শুরু হয়েছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস এর বাছাই পর্ব। ২৯এপ্রিল (বুধবার) সকাল১০টা থেকে শুরু হওয়া বাছাই পর্বে অংশ নেয় উপজেলা বিভিন্ন স্থরের ৫৪২জন রেজিষ্ট্রেশন করা ক্ষুদে বালক-বালিকা। তার মধ্যে অনলাইনে ৪৮১ ও অফলাইনে ৬২জন বালক-বালিকা রেজিষ্ট্রেশন করেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। রামু উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে এই কার্যক্রমে মোট ৮টি ইভেন্টে বিকেএসপি মাঠে দিনব্যাপী বাছাই পর্ব কার্যক্রম শুরু হয়। ১২থেকে ১৪বছর বয়সী কিশোর-কিশোরী নিয়ে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কাবাডি, সাঁতার, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, মার্শাল আর্টসহ মোট ৮টি ইভেন্টে বাছাই পর্বে জড়ো হয় ক্ষুদে খেলোয়াড়রা। এদিকে বাছাই পর্ব সম্পন্ন করতে ক্রীড়া সংস্থা বিভিন্ন ইভেন্টের জন্য রামু উপজেলার অভিজ্ঞ ক্রীড়ানকদের সমন্বয়ে ইভেন্ট অনুযায়ী পৃথক কমিটি গঠন করেন। যাদের তীক্ষ্ণ কৌশলে দক্ষ খেলোয়াড়দের বের করে চুড়ান্ত পর্যায়ে টিম গঠনের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
রামু উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব সাঈদ হোসাইন আকাশ বলেন, সরকারের সুচিন্তিত উদ্যোগে 'নতুন কুঁড়ি' নামের সংগঠনটি দেশব্যাপী গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে গেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলোয়াড়দের বের করে ক্রীড়াঙ্গনকে গ্রামে গঞ্জে উৎসব মুখর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক, রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফজলে রাব্বানী চৌধুরী জানান, সরকার তৃণমূলের প্রতিভা অন্বেশনে এই মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। যার মাধ্যমে খুঁজে বের করে আনা হবে গ্রাম পর্যায়ে লুকিয়ে থাকা বিরল প্রতিভার অধিকারী ক্ষুদে খেলোয়াড়দের। যারা এক সময় জাতীয় দলে স্থান নিয়ে এদেশের সুনাম বয়ে আনবে। পাশাপাশি যে সব খেলোয়াড় উচ্চ পর্যায়ে স্থান পাবেন বা চুড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবেন তাদের জন্য সরকার ভাতা ও সনদসহ নানাবিধ সুবিধা প্রদান করবেন। সরকারের এই উদ্যোগ তৃণমূলে ক্রীড়াঙ্গনকে প্রসারিত করবেন বলে আশা করেন তিনি।