শিরোনামঃ

একটা ব্রিজের অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে লামার ১২ গ্রামের মানুষ, ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরাও

মোহাম্মদ ইলিয়াছ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
লামার চিনতাবা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বমুখাল পাড় হয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। ছবি: মোহাম্মদ ইলিয়াছ
লামার চিনতাবা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বমুখাল পাড় হয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। ছবি: মোহাম্মদ ইলিয়াছ

বান্দরবানের লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া বমু খাল।

প্রায় ১৮০ ফুট প্রস্থের এই খালের উপর দিয়ে স্থায়ীভাবে কোন সেতু না থাকায় এই গ্রামগুলোর লোকজন যাতায়াতে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে বর্ষাকালে দুর্ভোগের শেষ নাই বললেই চলে। 

এই গ্রামের এক প্রান্তে রয়েছে চিনতাবা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যেখানে এই খাল পাড়ি দিয়ে প্রতিদিন আসতে হয় প্রায় শতখানেক শিক্ষার্থী।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মোঃ জাকির হোসাইন জানান, অন্তত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বার্থে হলেও ব্রিজটা খুবই প্রয়োজন। না হয় যেকোন সময় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারে। 

এলাকার জনপ্রতিনিধি মেনচিং মুরুং বলেন, এলজিইডি লামা উপজেলার প্রকৌশলীরা বেশ কয়েকবার মেপে গেছে ব্রিজ তৈরির জন্য। কিন্তু পরে কোন আর খবর পাওয়া যায়নি। যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে দায় কে নিবে? হয়তো তখন তাদের ঘুম ভাঙ্গবে।

চিনতাবা পাড়ার কারবারি লাঙি মুরুং বলেন, বমু খালে একটা ব্রিজ হওয়া খুবই দরকার। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের খাল পাড় হয়ে পড়াশুনা করতে সমস্যা হচ্ছে। 

এলজিইডি লামা উপজেলা প্রকৌশলী আবু হানিফ বলেন, ব্রিজ প্রস্তাব ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। তবে একটু সময় লাগবে। আশা করছি একটা ব্যবস্থা হবে।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL